- দে । শ
- আগস্ট ১৩, ২০২৬
জনগণনা সচেতনতায় শিবির
জনগণনা কর্মসূচির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে সচেতনতা শিবির করল মহকুমা পরিবহণ দপ্তর। কাটোয়া বাসস্ট্যান্ডে বিশেষ শিবির করে বাসকর্মীদের মধ্যে জনগণনার গুরুত্ব বোঝানো হয়। প্রোজেক্টারের মাধ্যমে আধিকারিকরা সাধারণ মানুষ স্ব-গণনা বা সেল্ফ এনুমারেশনে কীভাবে অংশ নেবেন, সেবিষয়ে হাতে কলমে দেখিয়ে দেন।কাটোয়ার অতিরিক্ত পরিবহণ আধিকারিক সন্দীপন মুখার্জি বলেন, ‘জনগণনায় অংশ নেওয়া সমস্ত নাগরিকদের কর্তব্য। এবারের জনগণনার বিশেষ দিক হল ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার।’
১৮৭২ সাল থেকে ভারতে জনগণনা শুরু হলেও এতদিন জনগণনা রেজিস্টারে হাতে লিখে করা হত। এ বছর ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিটি নাগরিক নিজেই নিজের পরিবার ও বাড়ির সমস্ত তথ্য সরকারি পোর্টালে নথিবদ্ধ করতে পারবেন। কাটোয়া মহকুমা জনগণনা কর্মসূচির নোডাল অফিসার অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, ‘জনগণনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে বাসকর্মীদের নিয়ে শিবির করা হল। প্রোজেক্টর ব্যবহার করে ডিজিটাল জনগণনা কীভাবে করা যায় সেটা দেখানো হল।’ আধিকারিকরা জানিয়ে দেন, সচেতনতা শিবিরের মূল উদ্দেশ্যই হল জনগণনায় সকলকে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করা। জনগণনা সংক্রান্ত কোন গুজবে যাতে সাধারণ মানুষ কান না দেন, কেউ যাতে বিভ্রান্তিতে না পড়েন সেদিকে নজর রাখা। মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জনগণনায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় স্বগণনার নথিভুক্তিকরণের হার ৯২ শতাংশ পার করেছে। কাটোয়া পুর এলাকায় ৯০ শতাংশ হয়েছে।
❤ Support Us





