- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ২৭, ২০২৬
গঙ্গার ভাঙন রুখতে দিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক, যোগ দিতে দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী, শাহের সঙ্গেও সাক্ষাতের সম্ভাবনা
দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে, বিশেষ করে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া সহ বহু জেলায় গঙ্গাভাঙন বিপুল ক্ষয়ক্ষতি চালিয়ে যাচ্ছে। ঘরহীন, ভূমিহীন হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। চলতি বছরে মালদার বন্যা পরিস্থিতি উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। গত ১৮ অগস্ট মানিকচকের গোপালপুরের শান্তিমোড় সংলগ্ন এলাকায় ভাঙনে অন্তত ৫০টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যের সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু। রতুয়া, মানিকচক ও কালিয়াচক-২ ব্লকের একাধিক এলাকাও দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের কবলে। ভিটেমাটি হারিয়ে বহু পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে হয়েছে; ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি আশ্রয়কেন্দ্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক কাজ শুরুর দাবি তুলছেন।
সেপ্টেম্বরের গোড়ায় ভুতনি দ্বীপের কাছে বাঁধের একাংশ ভেঙে গঙ্গার জল নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ায় ফের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত ভুতনি এলাকায় প্রায় দু-লক্ষ মানুষের বসবাস। অন্যদিকে, খাসকোল, মহানন্দাটোলা ও গোপালপুরে ভাঙন অব্যাহত। নদী তীরবর্তী এলাকায় আশঙ্কা আর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন বহু মানুষ। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্র ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগও জোরদার হয়েছে। মালদহের বন্যা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২৪,৬০০ পরিবারের জন্য ২৪২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দীর্ঘমেয়াদি প্রকৌশলগত সমাধানের পরিকল্পনা তৈরির জন্য আইআইটি কানপুরকে বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন তৈরির দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি তিনি।
এর আগে জুলাইয়ে মালদহ ও মুর্শিদাবাদের নদীভাঙন রোধে কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অর্থায়নে ৩,৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২৬ অক্টোবর মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল মালদহের ভুতনি, রতুয়া-সহ ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করে জানান, গঙ্গা ও ফুলহর নদী ক্রমশ কাছাকাছি চলে আসায় ভবিষ্যতে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। পুরনো নদীখাত সংস্কার করে জলপ্রবাহের চাপ কমানোর পরিকল্পনায় প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচের প্রস্তাব রয়েছে। রাজ্যের দাবি, বিহার পলি তোলার কাজে অনাপত্তি জানালেও ঝাড়খণ্ডের অনুমতি এখনও মেলেনি। এই অনুমতি ও আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ের জট কাটাতেই ২৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের ডাকা ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া থেকে আরও অন্য জেলা — গঙ্গার ভাঙন কী ভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের অবসান খুঁজতে মঙ্গলবার দিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার রাতে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাটিলের ডাকা ওই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিহার ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীদেরও উপস্থিত থাকার কথা। নদীভাঙন মোকাবিলায় তিন রাজ্যের মধ্যে সমন্বয়, গঙ্গার খাতে জমে থাকা পলি তোলা এবং প্রয়োজনীয় কাজের অনুমতি — বৈঠকে এই বিষয়গুলিই গুরুত্ব পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একই দিনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর দাবি, দিল্লি সফরের মূল উদ্দেশ্য গঙ্গাভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান খোঁজা।
গঙ্গার ভাঙন নিয়ে রাজ্যের উদ্বেগ নতুন নয়। বিশেষত মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙনের জেরে জনবসতি, কৃষিজমি, স্থানীয় পরিকাঠামো বিপন্ন হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যের সেচ দফতর কয়েক মাস আগেই কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পাঠিয়েছিল। সেখানে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমবঙ্গের একার পক্ষে কাজ করা যথেষ্ট নয় বলে জানিয়ে বিহার ও ঝাড়খণ্ডকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছিল। রাজ্যের সে প্রস্তাবের পরেই তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রক। ফলে মঙ্গলবারের আলোচনা রাজ্যের দীর্ঘদিনের দাবি কতটা গুরুত্ব পায়, তা বোঝার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।
গঙ্গাভাঙন মোকাবিলায় কী ধরনের পদক্ষেপ করা প্রয়োজন, তা নিয়ে সেচ দফতরের পাঠানো রিপোর্টে রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছিল। গঙ্গার গতিপথ, নদীখাতে পলি জমার সমস্যা আর ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় কাজের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সহযোগিতা যে জরুরি, সে বিষয়েই জোর দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, নদীভাঙন কোনো একটি প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে আটকে থাকে না। নদীর গতিপ্রকৃতি এবং তার খাতে পলি জমার প্রভাব একাধিক রাজ্যের উপর পড়তে পারে। তাই ভাঙন রুখতে পরিকল্পনা তৈরি থেকে শুরু করে তা বাস্তবায়ন — প্রতিটি স্তরেই আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।
রাজ্যের বক্তব্য, গঙ্গার ভাঙন নিয়ন্ত্রণে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু সেই পরিকল্পনা কার্যকর করতে গিয়ে অনুমতি সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে নদীখাত থেকে পলি তোলার কাজ নিয়ে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের অবস্থানের মধ্যে ফারাক রয়েছে। রাজ্যের দাবি, বিহার সরকার গঙ্গায় পলি তোলার কাজের জন্য অনাপত্তিপত্র দিয়েছে। কিন্তু ঝাড়খণ্ডের অনুমতি এখনো মেলেনি। ফলে প্রায় ১৬ কিলোমিটার এলাকায় পলি তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা যাচ্ছে না। অনুমতি না পাওয়ার বিষয়টিই মঙ্গলবারের বৈঠকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। রাজ্যের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকায় পলি তোলার কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারলে নদীভাঙন মোকাবিলার প্রচেষ্টা আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শুধু অনুমতি আদায় করলেই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান হবে কি না, তা নির্ভর করবে নদীর গতিপ্রকৃতি, ভাঙনের ধরন এবং প্রস্তাবিত কাজের বাস্তবায়নের উপরেও। তাই বৈঠকে তিন রাজ্যের মধ্যে সমঝোতার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
দিল্লি যাওয়ার আগে মালদহের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল। মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক দলের ওই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা। নদী কতটা এগিয়ে এসেছে, কোথায় ভাঙনের আশঙ্কা বেশি এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন — এ সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদহের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রশাসনিক স্তরে পাওয়া তথ্য এবং রাজ্যের সেচ দফতরের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পরেই দিল্লির বৈঠকে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে মঙ্গলবারের আলোচনায় শুধু সামগ্রিক নীতিগত বিষয় নয়, মালদহের বাস্তব পরিস্থিতি, রাজ্যের নির্দিষ্ট প্রস্তাবও গুরুত্ব পেতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, মালদহ থেকে নদিয়া পর্যন্ত গঙ্গার ভাঙন রুখতে কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন। নদী ক্রমশ জনবসতির কাছাকাছি চলে আসায় পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। প্রশাসনের পক্ষে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং জরুরি পদক্ষেপ করা প্রয়োজন হলেও, স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা এবং প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সম্মতি জরুরি বলে মনে করছে রাজ্য। গঙ্গাভাঙন নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের তরফে আগেও উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহণ কর্তৃপক্ষ, ‘এনটিপিসি’ ও ফারাক্কা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সে চুক্তির সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। ফলে গঙ্গার ভাঙন মোকাবিলায় যে কাজগুলি প্রয়োজন, তার সব ক-টি এখনো কার্যকর করা সম্ভব হয়নি বলে রাজ্যের বক্তব্য। এ প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এত দিন ধরে যে সমস্যাগুলি প্রশাসনিক সমন্বয় এবং অনুমতির অভাবে আটকে রয়েছে, সেগুলি নিয়ে সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
গঙ্গার ভাঙন নিয়ন্ত্রণে নদীখাত থেকে পলি তোলা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও, তার সঙ্গে নদীর গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ, ভাঙনপ্রবণ এলাকায় প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ও জড়িত। তাই মঙ্গলবারের বৈঠকে শুধু ১৬ কিলোমিটার এলাকায় পলি তোলার অনুমতি নিয়েই আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকবে, না কি বৃহত্তর পরিকল্পনা নিয়েও সিদ্ধান্ত হবে, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে প্রশাসনিক মহলে। গঙ্গাভাঙন নিয়ে জলশক্তি মন্ত্রকের বৈঠকের পাশাপাশি দিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও দেখা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তিনি সময় চেয়েছিলেন। বিকেল ৩টেয় তাঁকে সময় দেওয়া হয়েছে। জলশক্তি মন্ত্রকের বৈঠক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে একই দিন কলকাতায় ফিরে আসার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। মঙ্গলবার সকালের বিমানে দিল্লি গিয়ে রাতের বিমানে ফেরার কথা মুখ্যমন্ত্রীর।
এ সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হলেও মুখ্যমন্ত্রী তা খারিজ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দিল্লি যাওয়ার প্রধান কারণ মালদহ ও মুর্শিদাবাদের গঙ্গাভাঙন আর বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান খোঁজা। প্রশাসনিক প্রয়োজনেই এই বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন তিনি। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা যে একেবারে থামবে না, তা-ও স্পষ্ট। যদিও মুখ্যমন্ত্রী নিজে সফরের প্রশাসনিক উদ্দেশ্যকেই সামনে রেখেছেন, শেষ পর্যন্ত দিল্লির বৈঠক থেকে কী সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে, তার উপরেই নির্ভর করবে রাজ্যের নদীভাঙন মোকাবিলার পরবর্তী পদক্ষেপ। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের কাছে এই বৈঠকের গুরুত্ব অবশ্য রাজনৈতিক জল্পনার চেয়ে অনেক বেশি। ভাঙনের আতঙ্কে যাঁদের বসতি, জমি ও রুজিরুটি অনিশ্চয়তার মুখে, তাঁদের কাছে জরুরি প্রশ্ন একটাই — কবে শুরু হবে প্রয়োজনীয় কাজ, কী ভাবে আটকানো যাবে নদীর গ্রাস? বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের জট কাটিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কোনও কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারে কি না, মঙ্গলবারের বৈঠকের পর সেই উত্তরই খুঁজবে রাজ্য।
❤ Support Us







