Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • অক্টোবর ২৭, ২০২৬

খবর করতে গেলে নিতে হবে অনুমতি ! তথ্য সুরক্ষা আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম দরবারে ২১ সংবাদমাধ্যম

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
খবর করতে গেলে নিতে হবে অনুমতি !  তথ্য সুরক্ষা আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম দরবারে ২১ সংবাদমাধ্যম

খবর করার আগে, সব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিতে হলে সাংবাদিকতা চলবে কী ভাবে ? দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম কিংবা ক্ষমতাশালীদের কাজকর্ম নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে যদি তাঁদেরই সম্মতির অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়, তা হল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অর্থ কী ? ‘ডিজিটাল ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন’কে (ডিপিডিপি) চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে এমন প্রশ্নই তুলল দেশের ২১টি সংবাদমাধ্যমের সংগঠন ‘ডিজিটাল নিউজ পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (ডিএনপিএ)। মঙ্গলবার মামলাটি শুনে কেন্দ্র সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস জারি করেছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

আবেদনকারীদের অভিযোগ, ‘ডিজিটাল ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন-২০২৩’ ও তার অধীনে তৈরি ২০২৫ সালের বিধিতে সাংবাদিকতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ছাড় রাখা হয়নি। ফলে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার এবং প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা সংবাদমাধ্যমের স্বাভাবিক কাজকর্মের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এ আইনের কয়েকটি ধারার ফলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সংবাদসূত্রের পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসার আশঙ্কাও রয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছে আবেদনকারীরা। মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন অভিজ্ঞ আইনজীবী মাধবী দিভান। তাঁর বক্তব্য, সাংবাদিকতার জন্য তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া অন্য যে কোনো পেশায় ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের মতো নয়। জনস্বার্থে খবর করতে গিয়ে অনেক সময় এমন তথ্য সামনে আনতে হয়, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রকাশ্যে আসতে দিতে চান না। দুর্নীতি কিংবা সরকারি আধিকারিকদের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান চালানোর ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক হলে সংবাদ প্রকাশের আগেই তার পথ আটকে যেতে পারে।

আদালতে দিভানের বলেন, ‘যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তথ্য ব্যবহারের সম্মতি দেবেন কি না, তার উপরেই আমাকে নির্ভর করতে হয়, তা হলে খবর প্রকাশিত হবে কী ভাবে?’ টেলিভিশন সাংবাদিকতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনে খবর সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। তা না হলে খবরকে নতুন হতে হয়।’ তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুমতি ও সম্মতির অপেক্ষায় থাকলে সংবাদকক্ষের কাজকর্ম কার্যত স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। আদালতে দিভানের সওয়ালের মূল সুর ছিল, সংবাদ প্রকাশের পরে ভুল বা অসত্য তথ্যের জন্য সংবাদমাধ্যমকে জবাবদিহি করতে হতে পারে। কিন্তু প্রকাশের আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি বাধ্যতামূলক করে দিলে তা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর পূর্বনিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতি তৈরি করবে। তিনি আরও বলেন, ‘এ আইন যদি আদালত বিশদে খতিয়ে দেখে, দেখা যাবে, সাংবাদিকতার কথা মাথায় রেখে আইনটি কোনোভাবেই তৈরি করা হয়নি। আগের খসড়াগুলিতে সাংবাদিকতার জন্য ছাড় ছিল। কেন সেই ছাড় বাদ দেওয়া হলো, আমরা জানি না।’ তাঁর মতে, এ আইনের ফলে সংবাদমাধ্যমের উপর এমন এক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তৈরি হতে পারে, যা কার্যত পূর্বনিয়ন্ত্রণ বা ‘প্রি-সেন্সরশিপ’-এর সামিল।

তবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার অধিকারও যে গুরুত্বপূর্ণ, তা শুনানিতে মনে করিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, সংবাদমাধ্যমের অধিকার এবং নাগরিকের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এ ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ। তথ্যের অপব্যবহার রুখতে কী ধরনের সুরক্ষাব্যবস্থা থাকা উচিত, তা কেন্দ্রীয় সরকার এবং আদালতকে বোঝানোর ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাধারণ নাগরিকের অধিকারও কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। ফলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারের মধ্যে উপযুক্ত সমন্বয় প্রয়োজন।

উত্তরে, মাধবী দিভান জানান, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে ইতিমধ্যেই নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে ‘ডিএনপিএ’। সংগঠনটির দাবি, ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের কাছে বিস্তারিত প্রতিনিধিত্বমূলক আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। তার পরে ২৫ আগস্ট মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে সংগঠনের প্রতিনিধিদের বৈঠকও হয়। কিন্তু সমস্যার সমাধান না হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাদের। চমকপ্রদভাবে এ মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে আবেদনকারীদের তালিকার কারণে। ‘ডিএনপিএ’-র সদস্যদের মধ্যে রয়েছে দেশের একাধিক বড়ো সংবাদমাধ্যম গোষ্ঠীও। তাদের মধ্যে রয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, দ্য হিন্দু, ইন্ডিয়া টুডে, টাইমস ইন্টারনেট, জি মিডিয়া, এবিপি, নেটওয়ার্ক১৮, এনডিটিভি, মালয়ালা মনোরমা, মাতৃভূমি, অমর উজালা এবং ঈনাডু টেলিভিশনের মতো সংস্থা। নেটওয়ার্ক১৮ মুকেশ আম্বানীর রিলায়্যান্স গোষ্ঠীর অংশ। অন্যদিকে, এনডিটিভি আদানি গোষ্ঠীর মালিকানাধীন। অর্থাৎ, দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আম্বানী ও আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিও এ আইনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নেমেছে। দিল্লির স্বাধীন অনুসন্ধানী সাংবাদিক যুক্ত মুদগলও মামলার অন্যতম আবেদনকারী।

‘ডিএনপিএ’-র তরফে দাবি করা হয়েছে, আইনটির একাধিক ধারা এবং ২০২৫ সালের বিধির কয়েকটি নিয়ম অসাংবিধানিক। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে দায়ের করা আবেদনে আইনটির ৭, ১৭(২), ১৮, ১৯, ২৭, ২৯, ৩৬, ৩৭ এবং ৪৪(৩) নম্বর ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ২০২৫ সালের বিধির ১৬, ১৭ এবং ২৩ নম্বর নিয়ম নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।  আবেদনকারীদের বক্তব্য, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি নেই। আপত্তি আইনের প্রয়োগের ধরন নিয়ে। তাঁদের মতে, সাংবাদিকতার জন্য আলাদা ছাড় না থাকায় সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই এবং প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে এমন কিছু বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে, যা জনস্বার্থে সংবাদ পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আইনের ৩৬ নম্বর ধারা, ২০২৫ সালের বিধির ২৩ নম্বর নিয়ম এবং সপ্তম তফসিলের বিধান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারীরা। তাঁদের দাবি, নয়া বিধানগুলির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার তথ্যভাণ্ডারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা এবং মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে তথ্য চেয়ে পাঠাতে পারে। কিন্তু সে ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা, বিচারবিভাগীয় নজরদারি কিংবা প্রয়োজনীয়তা ও আনুপাতিকতার নির্দিষ্ট শর্ত নেই।

আবেদনে বলা হয়েছে, এ ক্ষমতা ব্যবহারের ফলে সাংবাদিকদের গোপন সূত্রের পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে। সংবাদমাধ্যমের কাছে দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা প্রশাসনিক অসদাচরণের তথ্য পৌঁছে দেন যাঁরা, তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অন্যতম শর্ত। সে সুরক্ষা না থাকলে তথ্যদাতারা সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ভয় পেতে পারেন। ফলে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই আর জনসমক্ষে আসবে না বলে আশঙ্কা আবেদনকারীদের। এ ছাড়া, আইনের ৩৭(১) ধারায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে জনসাধারণের তথ্যপ্রাপ্তি সীমিত করার যে ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া হয়েছে, তারও বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি। আবেদনকারীদের বক্তব্য, জনস্বার্থের মতো বিস্তৃত ভিত্তিতে তথ্যের নাগাল বন্ধ করার ক্ষমতা সংবাদ প্রচারের উপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি করতে পারে। ডিপিডিপি আইনের ৪৪(৩) ধারার মাধ্যমে তথ্যের অধিকার আইন, ২০০৫-এর ৮(১)(জে) ধারায় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাকেও চ্যালেঞ্জ করেছে ডিএনপিএ। এই সংশোধনের ফলে সরকারি কর্তৃপক্ষের হাতে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হতে পারে বলে অভিযোগ তাদের।

আবেদনকারীদের মতে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সরকারি আধিকারিকদের কাজকর্ম কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যের জনস্বার্থমূল্যও বিবেচনা করা জরুরি। কোনো তথ্য ব্যক্তিগত বলে চিহ্নিত হলেই তা প্রকাশের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলে সরকারি কাজকর্মের উপর জনসাধারণের নজরদারি দুর্বল হতে পারে। শুনানিতে এই প্রসঙ্গেই মাধবী দিভান বলেন, ‘৮(১)(জে) ধারার সংশোধন খবরের গোটা ধারণাটাই বদলে দিচ্ছে।’ তাঁর বক্তব্য, তথ্যের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। তথ্য সংগ্রহের সুযোগ সংকুচিত হলে সংবাদমাধ্যমের পক্ষে প্রশাসনের কাজকর্মের উপর নজর রাখা এবং জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আনা কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি আরও দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত আগের কয়েকটি খসড়া আইনে সাংবাদিকতার জন্য নির্দিষ্ট ছাড়ের ব্যবস্থা ছিল। ২০১৮ সালের ‘পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন বিল’-এর ৪৭ নম্বর ধারায় সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ছাড়ের বিধান রাখা হয়েছিল। ২০১৯ সালের বিল এবং ২০২১ সালের পরবর্তী খসড়াতেও সাংবাদিকতার জন্য ছাড়ের কথা ছিল বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ২০২২ সালের ‘ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন বিল’-এর খসড়ায় সাংবাদিকতার জন্য নির্দিষ্ট ছাড় আর রাখা হয়নি।

আইনের ১৭(২) ধারায় কিছু নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে ছাড়ের ব্যবস্থা থাকলেও জনস্বার্থে পরিচালিত সাংবাদিকতার জন্য একই ধরনের ছাড় না থাকাকে বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তাদের বক্তব্য, গবেষণা, তথ্য সংরক্ষণ এবং পরিসংখ্যানগত কাজের ক্ষেত্রে যে ছাড় দেওয়া হয়েছে, সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তা না থাকায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি হচ্ছে। ‘ডেটা প্রোটেকশন বোর্ড’-এর গঠন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত এবং আইনভঙ্গের ক্ষেত্রে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা রয়েছে এই বোর্ডের হাতে। সেই বোর্ডের গঠন ও ক্ষমতা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে ‘ডিএনপিএ’। আইনের ১৮, ১৯ এবং ২৭ নম্বর ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদনকারীদের বক্তব্য, মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি, বোর্ডে বিচারবিভাগীয় সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক নয়। ফলে বোর্ডের স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বলে দাবি আবেদনকারীদের।

তাঁদের বক্তব্য, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার নামে এমন কোনো ব্যবস্থা চালু করা উচিত নয়, যা সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার উপর অযাচিত প্রভাব ফেলতে পারে। মঙ্গলবার অবশ্য কেন্দ্রের বক্তব্য না শুনে আইনটির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানান, অন্য পক্ষের বক্তব্য শোনার পরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আদালত কেন্দ্র সরকারকে নোটিস দেওয়ার পাশাপাশি স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আবেদনেও নোটিস জারি করেছে। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি। ‘তথ্যের অধিকার আইন’ সংশোধনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া অন্য মামলাগুলির সঙ্গেও বিষয়টি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!