Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫

ক্লাসের মধ্যে গণ্ডগোল, সহপাঠীর মারে মৃত্যু দশম শ্রেণির ছাত্রের। হুগলির চাঁপদানীতে মর্মান্তিক ঘটনা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ক্লাসের মধ্যে গণ্ডগোল, সহপাঠীর মারে মৃত্যু দশম শ্রেণির ছাত্রের। হুগলির চাঁপদানীতে মর্মান্তিক ঘটনা

স্কুলের মধ্যে সহপাঠীর সাথে মারপিট। বুকে ঘুষি খেয়ে প্রাণ হারাল দশম শ্রেণীর ছাত্র। হুগলি জেলার চাঁপদানীতে আর্য বিদ্যাপীঠ স্কুলের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। মৃত ছাত্র বছর পনেরোর অভিনব জালান। চাঁপদানি পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা সে।

স্কুলের মধ্যে সহপাঠীর সাথে মারপিট। বুকে ঘুষি খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে দশম শ্রেণীর ছাত্র অভিনব জালান। হুগলি জেলার চাঁপদানীতে আর্য বিদ্যাপীঠ স্কুলের এই ঘটনা ঘটেছে। হুগলি জেলার চাঁপদানীতে আর্য বিদ্যাপীঠ স্কুলের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিহত ছাত্র চাঁপদানী পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা।

স্কুল সূত্রে খবর, বুধবার দুপুর ১ তা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। কিছু একটা বিষয় নিয়ে মনমালিন্য হয় দশম শ্রেণীর দুই পড়ুইয়ার মধ্যে। ক্রমেই সেটি মারামারির পর্যায়ে চলে যায়। অভিযোগ, সে সময় অন্য সহপাঠী অভিনবকে জোরে ঘুষি মারে। যন্ত্রনায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অভিনব। কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্ঞান হারায় সে। ক্লাসরুমে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ছুটে আসেন শিক্ষকরা। ছাত্র ও শিক্ষকরা মিলে টোটোয় চাপিয়ে তাকে স্থানীয় ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছায় ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ। চন্দননগর কমিশনারেটের এসিপি সুমন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন , ‘এই ঘটনায় এক জনকে আটক করা হয়েছে।’

আর্য বিদ্যাপীঠ স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছেন, ‘আমি ঘটনার সময় স্কুলে ছিলাম না। মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অন্য স্কুলে গিয়েছিলাম। খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি। শুনেছি একই ক্লাসের দুটো ছেলের মধ্যে মারামারিতে এই ঘটনা ঘটেছে।’ স্কুলটি চাঁপদানি পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে । সেখানকার প্রাক্তন কাউন্সিলর বিক্রম গুপ্ত জানান, তাঁদের কাছে খবর আসে স্কুলের মধ্যে মারামারি হয়েছে। একজন ছাত্র অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। শুনেই স্কুলে যান তিনি। টোটোয় চাপিয়ে স্থানীয় আঙ্গাস ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওই ছাত্রকে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মর্মান্তিক ঘটনা। ৬ মাস আগে ওই ছাত্রের দিদির হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে। এ বার এই ছাত্রের মৃত্যু হল। মা-বাবার কোল শূন্য হয়ে গেল। আমরা দোষীর শাস্তি চাই’।

স্কুল কর্তৃপক্ষের দিকে আঙুল তুলেছেন মৃত ছাত্রের বাবা গণেশ জালান। তিনি অভিযোগ করেন— ‘শিক্ষকদের সামনে কী করে ছাত্ররা মারামারি করে? স্কুলে কোনো পড়াশোনা হয় না। আমার ছেলের মৃত্যু জন্য যে দায়ী তার অবিলম্বে শাস্তি চাই।’ হাসপাতালের শয্যায়, শেষ সম্বল ছেলের নিথর দেহের উপর লুটিয়ে পড়েন মৃতের বাবা-মা। এই ঘটনা ঘিরে ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা স্কুলের বাইরে শুরু করেন তুমুল বিক্ষোভ। ক্লাস চলাকালীন কীভাবে ঘটল এমন মারাত্মক কাণ্ড সেই প্রশ্ন তুলে শিক্ষকদের ঘেরাও করেন তাঁরা। পুলিশের দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অযাচিত ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের তরফে স্কুল চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!