- দে । শ
- মে ৬, ২০২৬
২০ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়া শুরু সময়ের অপেক্ষা। মরশুমে আরও একটা খেতাব জয়ের দিকে এগিয়ে গেল আর্সেনাল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালে অ্যাটলেটিকো দি মাদ্রিদকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠল আর্সেনাল। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালের ফলাফল ছিল ১–১। দুই পর্ব মিলিয়ে আর্সেনালের জয় ২–১ ব্যবধানে। ২০ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল আর্সেনাল।
প্রথম পর্বের ফলাফল ১–১ থাকায় এদিন এমিরেটস স্টেডিয়ামে কোনো দলই শুরুর দিকে ঝুঁকি নিতে চায়নি। ফলে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের রোমাঞ্চকর লড়াই দেখা যায়নি। দুই দলই নিজেদের জাল আগলে রেখে আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। লিগ পর্বের ম্যাচে এই এমিরেটস স্টেডিয়ামেই আর্সেনালের কাছে ৪–০ ব্যবধানে হারতে হয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে। তাই শুরু থেকেই নিজেদের গুটিয়ে রেখেছিল। অন্যদিকে, আর্সেনালের লক্ষ্য ছিল গোল অক্ষত রেখে একটা গোল করার তুলে নেওয়া। তাই প্রথমার্ধের লড়াইটা ছিল রক্ষণ ও মাঝমাঠকেন্দ্রিক। সেই লড়াইয়ে অবশ্য দুই দলই তাল মিলিয়ে লড়াই করেছে।
যদিও প্রথমার্ধের একেবারে শেষলগ্নে বাজিমাত করে আর্সেনাল। বুকায়ো সাকার গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৪৫ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেস বল বাড়ান লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডকে। তিনি গোল লক্ষ্য করে জোরালো শট নেন। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে কোনও রকমে সেই শট প্রতিহত করেন অ্যাটলেটিতো ইয়ান ও’ব্লাক। তবে বল বিপদমুক্ত করতে পারেননি। সেই বল চলে যায় ঠিক সামনেই দাঁড়িয়ে থাকা বুকায়ো সাকার কাছে। বাঁপায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দেন সাকা। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি সাকার তৃতীয় গোল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্সেনালের রক্ষণে কিছুটা চাপ তৈরি করে অ্যাটলেটিকো। ৫১ মিনিটে গিলিয়ানো সিমিওনের সামনে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল। কিন্ত তিনি শট নিতে দেরি করায় সুযোগ নষ্ট করেন। পাঁচ মিনিট পর আঁতোয়ান গ্রিজম্যানের শট আর্সেনাল গোলকিপার ডেভিড রায়া রুখে দেন। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের সবচেয়ে বড় সুযোগটা তৈরি করে আর্সেনালই। ৬৬ মিনিটে পিয়েরে ইনকাপিয়ের ক্রস বক্সে পেয়ে যান ইয়োকেরেস। তবে তিনি বল গোলে রাখতে পারেননি। তাঁর শট ক্রসবারের সামান্য ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ম্যাচের বাকি সময়ে দুই দল চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি।
❤ Support Us





