- দে । শ
- মে ৯, ২০২৬
কাটোয়ার রবীন্দ্রভবন সংস্কারের দাবি
বছরভর কর্মসূচি। কখনও গান-আবৃত্তি, কখনও নাচ, কখনওবা আলোচনা। সেইসঙ্গে ২৫ বৈশাখ আর ২২ শ্রাবণ, রবীন্দ্রনাথের জন্ম আর প্রয়াণ দিবস উদযাপন। এমনই নানা কর্মসূচিতে ঠাসা কাটোয়া রবীন্দ্র পরিষদের সারা বছর। কার্যক্রমে বছরভর সচল-সক্রিয় থাকলেও মেরামতি দরকার কাটোয়া মহকুমার রবীন্দ্রচর্চার অগ্রণী প্রতিষ্ঠান রবীন্দ্র ভবনের।
১৯৬৬ সালের মে মাসে পথ চলা শুরু রবীন্দ্রভবনটিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা, মঞ্চটির আধুনিকীকরণ-সহ ঢেলে সাজানোর একটি বিস্তারিত প্রস্তাব কাটোয়ার মহকুমা প্রশাসন অনুমোদন করে ৭৯ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৪৩ টাকার একটি প্রকল্প রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে পাঠানো হয়। রবীন্দ্র পরিষদের তরফে এ ব্যাপারে বারবার চিঠিচাপাটি করা হয়। বিভাগীয় মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বিধায়ক হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হন রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জিও। ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল কাটোয়ায় একটি জনসভায় যোগ দিতে এসে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কাটোয়ার উন্নয়নের তালিকা পেশ করতে গিয়ে ঘোষণা করেন, ‘কাটোয়া রবীন্দ্র ভবনের সংস্কারের কাজ হয়ে গিয়েছে।’ কিন্তু তা যে আদৌ হয়নি এবং মমতা ব্যানার্জিকে প্রশাসনের তরফে ভুল বার্তা দেওয়া হয়েছে, এ কথা জানিয়ে রবীন্দ্র পরিষদের তরফে ‘দিদিকে বলো’তে ফোনও করা হয়। তাতেও কোনো লাভ হয়নি। রবীন্দ্র পরিষদের সম্পাদক ডঃ তুষার পণ্ডিত বলেন, ‘আমাদের আশা নতুন সরকার কাটোয়ার রবীন্দ্র ভবনটি পরিপূর্ণভাবে সংস্কার করে রবীন্দ্রচর্চার ক্ষেত্রটিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’
বছরখানেক আগে রবীন্দ্র পরিষদের সীমিত আর্থিক সাধ্যে রবীন্দ্রপ্রেমী মানুষজনের সহযোগিতায় রবীন্দ্র ভবনের সামনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী গৌতম পালের তৈরি রবীন্দ্রনাথের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি বসানো হয়েছে। সামনের অংশটির সৌন্দর্যায়ন হয়েছে। কিন্তু গোটা ভবনের যে দৈন্যদশা, তাতে অবিলম্বে আমূল সংস্কার জরুরি বলে দাবি মহকুমার সংস্কৃতিমনস্ক মানুষজনের
❤ Support Us






