- দে । শ
- মার্চ ৩০, ২০২৬
কাটোয়ায় ব্রহ্মাণীর মহোৎসব ঘিরে উৎসাহ, শামিল ১০ হাজারের বেশি মানুষ
সে প্রায় ৩০০ বছর আগের কথা। কাটোয়া ২ নং ব্লকের মুস্থূলী গ্রামের শোলাশিল্পী ত্রৈলোক্যনাথ মালাকার পাশের মূলগ্রামে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। পূর্ণিমার রাতে পথঘাট ভালই দেখা যাচ্ছে। ব্রহ্মাণী নদীর ধার বরাবর হাঁটার সময় সহসা তাঁর নজরে পড়ে দুটো সাপ খেলা করছে। কিছুক্ষণ বাদে সাপজোড়া দুটি মহিলার রূপ ধারণ করল। তারপর অদৃশ্য হয়ে গেল।
রাতে স্বপ্ন দেখলেন ত্রৈলোক্যনাথ। স্বপ্নাদেশে ব্রহ্মাণীদেবী বললেন, তোর বাড়ির পাশের পুকুরে দুটি স্তম্ভ রয়েছে। সে স্তম্ভ দুটিকেই ব্রহ্মাণী জ্ঞানে পুজো করবি। গ্রামের আদি ব্রাহ্মণ কালীচরণ চক্রবর্তীকে দিয়ে পুজো করানোরও নিদান দেন দেবী। সেই থেকে সর্পরূপী ব্রহ্মাণী পূজিত হয়ে আসছে। তৈরি হয়েছে মন্দির। সকাল সন্ধ্যায় নিত্যসেবা হয়।
জ্যৈষ্ঠ মাসে বাৎসরিক পুজো আর ফি-বছর ১৩ চৈত্র হয় বিশেষ পুজো, নাম সংকীর্তন ও মহোৎসব। এই অনুষ্ঠানে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ যোগ দেন। মহোৎসব কমিটির সদস্য পরিমল সাধু, ভাস্কর চ্যাটার্জিরা বললেন, আজ থেকে ১৫ বছর আগে কটোরা করে খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করা হতো। ধীরে ধীরে আয়োজনের বহর বেড়েছে। এবারেও হাজার দশেক মানুষ মাটিতে লাইন দিয়ে পাত পেড়ে মহোৎসবের খিচুড়ি, পঞ্চরত্ন, টক, পায়েস পেটপুরে খেলেন। ঘোড়ানাশ, মুস্থূলী, আমডাঙ্গা, একডেলা, জগদানন্দপুর, আখড়া, বিষ্ণুপুর, দেয়াসিন, চাণ্ডুলী-সহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন।
❤ Support Us







