Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মে ২০, ২০২৬

ঘুষ নিয়ে টেন্ডার পাস! ফোর্ট উইলিয়ামে কর্মরত সেনা কর্নেলকে গ্রেফতার করল সিবিআই

ঘুষ নিয়ে টেন্ডার পাস! ফোর্ট উইলিয়ামে কর্মরত সেনা কর্নেলকে গ্রেফতার করল সিবিআই

কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম, যা বর্তমানে ‘বিজয় দুর্গ’ নামে পরিচিত এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের সদর দফতর, সেখানে কর্মরত এক উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিককে ৫০ লক্ষ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে গ্রেফতার করল সিবিআই। ধৃত আধিকারিকের নাম হিমাংশু বালি। তিনি কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার এবং ইস্টার্ন কমান্ডের আর্মি অর্ডন্যান্স কোরে কর্মরত ছিলেন।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ মে এই মামলায় এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগ, ফোর্ট উইলিয়ামের বিভিন্ন কাজের দরপত্র পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিতেন হিমাংশু। শুধু তাই নয়, কানপুরের এক ব্যবসায়ী ও তাঁর সংস্থাকে বেআইনি সুবিধা পাইয়ে দিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের নমুনা অনুমোদন করা, বকেয়া ও অতিরিক্ত বিল পাশ করানোতেও তিনি সাহায্য করেছিলেন। এ মামলায় কানপুরের ব্যবসায়ী অক্ষত অগ্রবাল এবং তাঁর সংস্থা ‘ইস্টার্ন গ্লোবাল লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থার এফআইআর অনুযায়ী, অক্ষত এবং তাঁর বাবা ময়াঙ্ক নিয়মিত ভাবে হিমাংশু বালির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তাঁদের সংস্থার জন্য বেআইনি সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে।

অভিযোগ, কলকাতার ইস্টার্ন কমান্ডের একাধিক দরপত্রে বিশেষ ছাড় এবং সুবিধা পেয়েছিল অক্ষতের সংস্থা। সে বরাত পাইয়ে দেওয়ার জন্য হিমাংশুসহ আরও কয়েক জনকে বিপুল অঙ্কের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সিবিআইয়ের। তদন্তে উঠে এসেছে, চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দরপত্র নিয়ে হিমাংশুর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অক্ষত। গত ২২ এপ্রিল পার্ক স্ট্রিট এলাকায় দরপত্র সংক্রান্ত বৈঠকও হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। এর মাত্র দু-দিন পরেই সংশ্লিষ্ট কাজের বরাত পেয়ে যায় অক্ষতের সংস্থা।

সিবিআইয়ের দাবি, সোমবার হাওয়ালার মাধ্যমে ঘুষের টাকা দিল্লিতে হিমাংশুর এক পরিচিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন অক্ষত। তদন্তকারীদের অনুমান, শুধু একটি নয়, একাধিক দরপত্র পাইয়ে দেওয়ার জন্য অক্ষতের সংস্থার সঙ্গে ‘চুক্তি’ করেছিলেন হিমাংশু বালি। এই দুর্নীতির সঙ্গে সেনাবাহিনীর আরও কয়েক জন জড়িত থাকতে পারেন বলেও সন্দেহ করছে সিবিআই। যদিও এ পর্যন্ত তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা বর্তমানে হিমাংশুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, কল রেকর্ড এবং আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!