Advertisement
  • দে । শ
  • জানুয়ারি ২০, ২০২৩

বিবিসির তথ্যচিত্রে মোদি। প্রধানমন্ত্রীকে হেয় করার চেষ্টা- বলল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিবিসির তথ্যচিত্রে মোদি। প্রধানমন্ত্রীকে হেয় করার চেষ্টা- বলল  ভারতের বিদেশ মন্ত্রক

বিবিসি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে শিরোনাম , ইণ্ডিয়া : দ্য মোদি কোয়েশ্চন’। গুজরাট প্রশাসনে তাঁর নেতৃত্বে , ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গা, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ভাবমূর্তি তুলে ধরেছে  এই তথ্যচিত্র। রিলিজ হয়েছে মঙ্গলবার। প্রদর্শনের পরেই  শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী সাংবাদিক সম্মেলনে ওই তথ্যচিত্র সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ঔপনিবেশিক মনোভাব নিয়ে রচিত তথ্যচিত্রটি নিছক এক টুকরো প্রোপাগাণ্ডা। প্রধানমন্ত্রীকে হেয় করবার এও আরেক চেষ্টা। তথ্যচিত্রের মাধ্যমে ভারত বিরোধী প্রচার চালানো হয়েছে। কোনো বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়নি এই ছবি। ভারতের বিভিন্ন সংস্থা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এই ছবি। কোনো একজন ব্যক্তি বিশেষকে লক্ষ্যবস্তু করে তাঁর সম্পর্কে ভুল আখ্যান তৈরির উদ্দেশ্য এই তথ্যচিত্রের মধ্যে প্রকট । এই ধরনের প্রচেষ্টা ভারত সরকার কোনোমতেই সমর্থন করে না বলে জানান বাগচী।

 বিবিসি তাদের ওয়েবসাইটে এই তথ্যচিত্র প্রকাশ করে। যার দুটি পর্বের প্রথম পর্বে নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার যাত্রাপথকে তুলে ধরা হয়েছে। তথ্যচিত্রে ২০০২ এর মার্চে গুজরাট দাঙ্গার সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁরই প্রত্যুত্তর দিল বিদেশ মন্ত্রক।

উল্লেখ্য, বিবিসির এই তথ্যচিত্রকে সমর্থন জানায়নি খোদ গ্রেট ব্রিটেনও। ব্রিটিশ সংসদের উচ্চ কক্ষ হাউস অফ লর্ডস-এর সদস্য লর্ড রামি রেঞ্জার এই তথ্যচিত্র সম্পর্কে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। নিজের টুইটার হ্যাণ্ডেলে তিনি জানান যে ভারতের গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভারতের পুলিশ এবং ভারতের বিচার ব্যবস্থাকে এর মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে।  হিংসায় জীবনহানির বিরুদ্ধেও বক্তব্য রেখেও তাঁর মত, বিবিসির এই তথ্যচিত্র নির্মাণ পদ্ধতি নিন্দনীয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকও বিবিসির পাশে দাঁড়াননি। অবশ্য বিশেষজ্ঞদের মত, ভারত -ব্রিটেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতেই ব্রিটেনের এই অবস্থান।

২০১৯-এ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ করে কেন্দ্র। সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫ (ক) তুলে দেওয়া হয়। বিবিসির ওই তথ্যচিত্র তারও সমালোচনা করেছে। এদিকে মঙ্গলবার তথ্যচিত্রের প্রথম পর্ব আপলোড করলেও পরে বিতর্কের মুখে পড়ে তা সরিয়ে নেয় ইউটিউব।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!