Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ডিসেম্বর ১৩, ২০২২

তৃণমূল নেত্রীর প্রথম সফরেই মেঘালয় উজ্জীবিত। দেওয়ালে শাসক গোষ্ঠীর পিঠ। দৃপ্ত ভঙ্গিতে মমতা: ক্ষমতায় এলেই নারী কল্যানের ‘উই কার্ড’

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
তৃণমূল নেত্রীর প্রথম সফরেই মেঘালয় উজ্জীবিত। দেওয়ালে শাসক গোষ্ঠীর পিঠ। দৃপ্ত ভঙ্গিতে মমতা: ক্ষমতায় এলেই নারী কল্যানের ‘উই কার্ড’

মেঘালয়ে, প্রথম রাজনৈতিক সফরেই কল্যানমুখী আশ্বাস জুড়ে দিয়ে শাসক গোষ্ঠীর পিঠ দেওয়ালের দিকে আরও বেশি ঠেসে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বললেন, মেঘের রাজ্যে ক্ষমতায় এলেই তৃণমূল সরকার হাজার টাকার লক্ষ্মীরভান্ডার চালু করবে। মেয়েদের কল্যানে নানারকম কর্মসূচি হাতে নেবে।উত্তর পূর্বের যে কোনও রাজ্যে নারী কল্যানের এই ধরনের প্রতিশ্রুতি এই প্ৰথম।

মেঘালয়ে ভোটে আসন্ন। দুমাস পরেই বিধানসভা নির্বাচনে ঠিক হয়ে যাবে, ক্ষমতায় কারা আসছে, একক সংখ্যা গরিষ্ঠতায় বিজেপি না নবজাগ্রত তৃণমূল? রাজ্যের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ইউ সোসে প্রেক্ষাগৃহে তৃণমূলের উপচে পড়া কর্মীসভায়। সেখানে নারী কল্যাণের ওপর একটি তথ্যচিত্রও দেখানো হয়।এখানেই দৃপ্ত ভঙ্গিতে তৃণমূল নেত্রী জানালেন, তাঁর দল ক্ষমতায় এলে মেঘালয়ে উই কার্ড চালু হবে। বাংলায় যা লক্ষীর ভান্ডার, সেখানে তা উই কার্ড।

গ্রন্থাগার প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে দেখানো হয়, তৃণমূল কর্মীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের ফর্ম দিচ্ছেন। ফিলাপ করাচ্ছেন। ফর্ম যাচাই তাদের একটি স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। তাঁরা কার্ড স্ক্র্যাচ করলেই টাকা তুলতে পারবেন। আজ একটি প্রতীকী কার্ডও তুলে দেওযা হয় স্থানীয় মহিলার হাতে।মমতার সফর ঘিরে তৃণমূল, বিশেষ করে মহিলাদের উজ্জীবিত। তাঁকে দেখতে, তাঁর স্পর্শ পেতে তাঁদের উৎসাহ কী প্রকান্ড।কর্মীরাও প্রাণিত। হঠাৎ সমবেত ফুলের উচ্ছ্বাস যেন বেড়ে গেল।মনে হচ্ছে, খাসি, জয়ন্তি, গারো পাহাড়ের নিম্নাঞ্চলে বঙ্গভাষী এলাকায় পাহাড়ি ফুলের পাশে এবার রাশি রাশি ঘাসফুল ফুটে উঠবে।

মমতার সঙ্গী তাঁর মন্ত্রিসভার ও দলের অনেকেই। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে কয়েকবার সফর করেছেন। কর্মীদের উদ্দীপনা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। মঙ্গলবার কর্মীসভায়, আসাম মেঘালয় সীমান্ত সংঘর্ষের উসকানিমূলক ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তৃণমূলের তরুণ তুর্কি অভিষেক বললেন, মেঘালয়বাসীরা কি কেবল গুলি খেয়ে মারা যাবেন? না মেঘালয় গড়বেন। মুখ্যমন্ত্রী কার্নাড সাংমা কঠোর নিন্দা করে অভিষেক বলেন, ৫জন নিরীহকে অসম পুলিশ গুলি করে হত্যা করল। নিস্ক্রিয় হয়ে দেখে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লিতে গিয়ে প্রতিবাদ জানাতে পারতেন, বিজেপির কাছে মেরুদ্ন্ড বন্ধক দিয়ে বসে আছেন।

সীমান্ত সংঘর্ষের ঘটনা, শিলংএ ভাষিক সংখ্যালঘু পীড়ন, সরকার পুষ্ট অনাচারের পরিণাম দেখতে হবে বিজেপি জোটকে। মুকুল সংমার নেতৃত্বে প্রধান বিরোধী এখন তৃণমূল।কংগ্রেস নেতৃত্বহীন। প্রয়াত জননেতা পূর্ণ সাংমার আসন সম্ভবত শূণ্য থাকবে না। তৃণমূলের নীতি আর কৌশলে ক্ষমতায় ফিরে আসবেন তাঁর গুণমুগ্ধরা। পূর্ণসাংমার সঙ্গে মমতার হৃদ্যতা সর্বজন বিদিত। সে নৈকট্যের স্মৃতিতে ভারি বর্ষণের আমেজ কি আসন্ন?

 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!