- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ১১, ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ
৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনার পর রাজ্য প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে। নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত আগামী কয়েক মাস শুভেন্দুর নিরাপত্তায় একসঙ্গে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ।
২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালে তিনি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হওয়ার পরেও সেই নিরাপত্তা বহাল ছিল। যদিও রাজ্য সরকার তাঁর নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করতে চাইলেও, সেই প্রস্তাব তিনি গ্রহণ করেননি।
বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর উপর একাধিক প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শুভেন্দুকে জ়েড পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীই তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছিল।
শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় রাজ্য পুলিশ। তবে চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের পর প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, সুপারি কিলার দিয়ে এই খুনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আপাতত শুভেন্দুর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করছে না। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফেও অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হবে। অর্থাৎ, কিছুদিন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় একযোগে কাজ করবে দুই বাহিনী।
তবে শুভেন্দু অধিকারী ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বলয় পছন্দ করেন না বলেই প্রশাসনিক মহলের দাবি। সেই কারণে তাঁর কর্মসূচি বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগে যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। নবান্নের এক আধিকারিকের কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে ঠিকই, তবে তা যেন তাঁর স্বাভাবিক কাজকর্মে অসুবিধা তৈরি না করে, সেটাও মাথায় রাখা হচ্ছে।”
❤ Support Us







