Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ১১, ২০২৫

মেঘালয়ে নিখোঁজ হাঙ্গেরির পর্যটক পুসকাস জোল্টের দেহ উদ্ধার

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মেঘালয়ে নিখোঁজ হাঙ্গেরির পর্যটক পুসকাস জোল্টের দেহ উদ্ধার

মেঘালয়ে ২ সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে উদ্ধার হল হাঙ্গেরির নিখোঁজ পর্যটক পুসকাস জোল্টের মৃতদেহ। বৃহস্পতিবার দুপুরে মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জির শেল্লার তিরনা যাওয়ার রাস্তার ধারে প্রত্যন্ত গ্রাম রামদাইতের এক প্রত্যন্ত, খাড়া ঢালু এলাকায় পচাগলা অবস্থায় আংশিক পচনশীল অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, দুর্ঘটনায় পড়ে পুসকাসের মৃত্যু হয়েছে।

২৯ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিলেন পুসকাস জোল্ট। ওইদিন ভোর ৩:৪৫ মিনিটে লাইতুমখরাহের একটি হোটেলে চেক ইন করেছিলেন এই হাঙ্গেরিয়ান পর্যটক। কয়েক ঘন্টা পরে সকাল ৯ টায় চেক আউট করেন। তারপর একটা স্থানীয় ট্যাক্সিতে ওঠেন। সেই ট্যাক্সি পুসকাসকে দুপুরে সোহরার কাছে মাওসাহেউতে নামিয়ে দেয়। সেখান থেকে তিনি পায়ে হেঁটে মাওকাভিরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। শুধুমাত্র একটি ব্যাকপ্যাক নিয়ে নংরিয়াত যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল পুসকাসের। তারপর থেকে আর সন্ধান পাওয়া যায়নি পুসকাসের। ২ এপ্রিল হাঙ্গেরির দূতাবাস স্থানীয় পুলিশকে তাঁর নিখোঁজের খবর জানায়।

এরপর পুলিশ হোমগার্ডদের সাথে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। সোহরা সিভিল সাব ডিভিশনের ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিস, রাজ্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী এবং মাওকোহউইয়ার ও রামদাইতের গ্রামবাসীদের তীব্র অনুসন্ধানের পর পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পুসকাস মাওসাহেউ থেকে নংরিয়াত পর্যন্ত ট্রেকিং করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরে পরিকল্পনা বদলে রিমগকু সাং-এ পৌঁছাতে চেয়েছিলেন, যা ছিল একটি নির্জন জায়গা। পুসকাস কীভাবে সেই নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছেছিলেন এবং তার মৃত্যুর কারণ কী তা তদন্ত করছে পুলিশ।

মাওকাবির সর্দার জানান যে, মাওকাবির এবং রামদাইতের লোকেরা আগে তিরনায় যাতায়াতের জন্য এই দুর্গম পথ ব্যবহার করত। লোকেরা একটি ছোট জীবন্ত মূল সেতু দিয়ে নদী পার হত। নদীর উপর একটি লোহার সেতুর দিকে যাওয়ার জন্য সিমেন্টের তৈরি একটি পথ তৈরি হওয়ার পর থেকে এই পথটি আর ব্যবহার করা হয় না। এই পথটি নোংরিয়াতে যায় এবং মানুষ এখন এই পথ দিয়েই যাতায়াত করে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!