- দে । শ
- অক্টোবর ৩০, ২০২৬
‘মক পার্লামেন্ট’ থেকে ‘পিপলস ইমপিচমেন্ট’! কর্মসূচির ধরনেও বড় বদল আনল ‘ইন্ডিয়া
শুধু কর্মসূচির নাম পরিবর্তন নয়, আইনি জটিলতা এবং সংসদ অবমাননা সংক্রান্ত বিতর্ক এড়াতে ‘মক পার্লামেন্ট’ আয়োজনের পদ্ধতিতেও একাধিক পরিবর্তন আনল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত হতে চলা এই কর্মসূচির নাম আগেই বদলে রাখা হয়েছে ‘পিপলস ইমপিচমেন্ট’ বা ‘জন মহাবিযোগ’। এ বার কর্মসূচির কাঠামোতেও আনা হয়েছে নতুন সিদ্ধান্ত। জানানো হয়েছে, লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার ছাড়া আর কেউ কোনও সাংবিধানিক বা সংসদীয় পদাধিকারীর ভূমিকায় থাকবেন না।
বিরোধী জোটের এই কর্মসূচিতে কোনও প্রতীকী ট্রেজারি বেঞ্চ বা সরকার পক্ষের উপস্থিতিও রাখা হচ্ছে না। সংসদ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কাছে বিরূপ বার্তা পৌঁছনো এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। তবে পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, মীরা কুমারই ‘ভোটচুরি’ এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাঠ করবেন।
এর পর কর্মসূচির বাকি পর্বে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা জ্ঞানেশ কুমার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখবেন। সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে।
মল্লিকার্জুন খড়্গের ১০ রাজাজি মার্গের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত হবে এই কর্মসূচি। সেখানে সংসদে দলগুলির সাংসদ সংখ্যার ভিত্তিতে বক্তৃতার সময় বরাদ্দ করা হবে সহযোগী দলগুলির জন্য। কংগ্রেসের পর সবচেয়ে বেশি সময় পাবে সমাজবাদী পার্টি। তার পর বক্তৃতার সুযোগ পাবে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের তরফে এই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, কীর্তি আজাদ, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ। বিরোধী জোটের এই কর্মসূচির শেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
অন্য দিকে, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এই ‘জ্ঞানেশ অপসারণ’ কর্মসূচির পাল্টা আয়োজন করেছে বিজেপি-ঘনিষ্ঠ নাগরিক সংগঠন ‘সিটিজেনস ফর ডেমোক্রেসি’। বিরোধী সাংসদদের ‘অসংসদীয় আচরণের’ প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার নয়াদিল্লির এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টারে একটি সমান্তরাল ‘মক পার্লামেন্ট’-এর আয়োজন করা হয়েছে।
ফলে একই দিনে দিল্লিতে বিরোধী জোটের ‘পিপলস ইমপিচমেন্ট’ কর্মসূচি এবং বিজেপি-ঘনিষ্ঠ সংগঠনের পাল্টা ‘মক পার্লামেন্ট’ আয়োজনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।
❤ Support Us






