- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- জুলাই ১১, ২০২৬
জম্মু–কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ! ঢাকায় ভুল মানচিত্র প্রদর্শনে তীব্র বিতর্ক, প্রতিবাদে সরব ভারত
জম্মু ও কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ! বাংলাদেশে এক সেমিনারে ভারতের একটা ভুল মানচিত্র প্রদর্শন নিয়ে সরব ভারত। এ ঘটনার তীব্র আপত্তি জানান ভারতীয় কূটনীতিকরা। ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তা পূজা ঝা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ছবিটি তথ্যগতভাবে ভুল। মানচিত্রটিতে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভুলভাবে দেখানো হয়েছে।
ঢাকার বিআইআইএসএস–এ একটা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের বিষয় ছিল, ‘আস্থা পুনরুদ্ধার ও আঞ্চলিক সংহতি নবায়ন: সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার পথ’। ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার আহমেদ তারিক করিম উপস্থাপনা দেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবেইদও এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। হাজির ছিলেন ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তা পূজা ঝাও।
সেমিনারে একটা মানচিত্রে জম্মু ও কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছিল। পূজা ঝা যখন লক্ষ্য করেন যে, মানচিত্রটিতে জম্মু ও কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে, তখন তিনি উপস্থাপনাটি থামিয়ে দেন এবং বলেন এটা তথ্যগতভাবে ভুল। তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এখানে দেখানো ভারতের মানচিত্রটি ভুল। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং আমি বিশ্বাস করি এখানে দেখানো মানচিত্রটি ভুল।’
আপত্তি ওঠার পর বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত আহমেদ তারিক করিম ব্যাখা করের চেষ্টা করেন যে, মানচিত্রটি শুধুমাত্র প্রতীকী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল, এটা প্রকৃত সীমানা সম্পর্কিত নয়। জবাবে পূজা ঝা বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি, কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে তা ভুলভাবে দেখানো হয়েছে। তাই আমি শুধু এই বিষয়টি উল্লেখ করতে চেয়েছিলাম।’ তিনি ভারত থেকে এসেছেন কিনা জানতে চাইলে, পূজা ঝা তাঁর পূর্ণাঙ্গ পরিচয় দেন। এরপর রাষ্ট্রদূত করিম তাঁর সঙ্গে একমত হন।
সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবেইদ দক্ষিণ এশিয়ায় গভীরতর আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। সক্ষমতা ও কর্মক্ষমতার মধ্যে ব্যবধান পূরণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। সংস্থাটিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সংস্থাটির আরও ভাল পরিচালন সক্ষমতা, বৃহত্তর আর্থিক শক্তি, আরও কার্যকর ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি ও বাস্তবসম্মত কর্মসংস্কৃতি প্রয়োজন।’
❤ Support Us






