- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ৮, ২০২৫
কালনা হাসপাতালের প্রতীক্ষালয়ে মাদক খাইয়ে লুটপাটের চেষ্টা, তদন্ত শুরু পুলিশের
কালনা মহকুমা হাসপাতালের প্রতীক্ষালয়ে থাকা রোগীর আত্মীয়দের মাদক মেশানো চা খাইয়ে বেহুঁশ করে মোবাইল ও নগদ টাকা লুটের ঘটনায় নড়েচড়ে বসল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ। হাসপাতালের সহকারী সুপার গৌতম বিশ্বাস জানান, ‘রবিবার রাতে কালনা মহকুমা হাসপাতালে যে ঘটনা ঘটেছে, তার পুনরাবৃত্তি রুখতে গুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ সেগুলি হল, পুলিশ বুধবার হাসপাতালের সিসি ক্যামেরাগুলির ফুটেজ পরীক্ষা করে অভিযুক্তর সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করছে। হাসপাতাল চত্বরজুড়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে রোগীর আত্মীয়দের সচেতন করা হচ্ছে। একটি ফোন নম্বর দিয়ে সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই সেখানে জানানোর আবেদন করা হচ্ছে। পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রতীক্ষালয়ে সিসি ক্যামেরা বসানোর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, রবিবার রাতে হাসপাতালের প্রতীক্ষালয়ে বসে থাকা রোগীদের তিন আত্মীয়র সঙ্গে ভাব জমিয়ে তাদেরকে মাদক মেশানো চা খাইয়ে বেহুঁশ করে এক অপরিচিত। তারপর তাদের কাছে থাকা সমস্ত টাকা ও মোবাইল নিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। তিনজনই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন। জানা গিয়েছে, অসুস্থরা হলেন নাদনঘাটের সমুদ্রগড়ের বিবিরহাটের বাসিন্দা নারায়ণ চৌধুরি, নদিয়ার বাহিরচড়ার বাসিন্দা আনোয়ার শেখ ও গয়েশপুর এলাকার বাসিন্দা জমিরউদ্দিন শেখ। জমিরউদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কথা বলতে পারছিল না। তাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। হাসপাতালের মতন জায়গায় এরকম ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন রোগীর পরিজনরা। খবর পেয়েই হাসপাতালে যায় পুলিশ। চিকিৎসাধীন নারায়ণ ও আনোয়ারের কাছ থেকে অভিযোগ নিয়ে পলাতক দুষ্কৃতীর সন্ধান শুরু করেছে। রুকা শেখ নামে চিকিৎসাধীন রোগীর এক আত্মীয় বলছিলেন, ‘হাসপাতালেতো সিসি ক্যামেরা রয়েছে। সেটা দেখে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করুক। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিক।’
❤ Support Us







