- দে । শ
- এপ্রিল ৩, ২০২৬
ভোটার তালিকার নাম নেই, ভোটে লড়তে পারবেন না কেতুগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী
মন খারাপ কেতুগ্রামের নরসিংহপুর গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা মহম্মদ মফিরুল কাশেমের। গ্রামের ২৭১নং বুথের এই সত্তরোর্ধ্ব বাসিন্দাকে এবার কেতুগ্রাম কেন্দ্রের প্রার্থী করে কংগ্রেস। কিন্তু সাপ্লিমেন্টরি লিস্টে নাম না থাকায় তিনি লড়তে পারবেন না। শোনা যাচ্ছে, কেতুগ্রামের বাসিন্দা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অরবিন্দ সেনকে প্রার্থী করার জন্য জেলা কংগ্রেসের তরফে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আর মফিরুল সাহেব বললেন, ‘আমরা কয়েক পুরুষ ধরে এখানে থাকি। ভোট দিই। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে যাবতীয় নথি জমা দিয়েছি। তারপরেও আমার নাম ডিলিট দেখাচ্ছে।’ তবে নিজে লড়তে না পারলেও এই ‘অন্যায়ের প্রতিবাদে কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাতে মাঠে নামবেন’ বলে ঘোষণা করলেন মফিরুল।
শুধু মফিজুল সাহেবই নন, কেতুগ্রাম ১নং ব্লকের ২ হাজারের কাছাকাছি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। অভিযোগ, কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস। এর আগে প্রতিটি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ। জন্ম ও শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র, পাসপোর্টের মত দরকারি নথি দাখিল করা সত্ত্বেও বিভিন্ন বুথে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। শেখ নইম আলি নামে একজন বলেন, ‘বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে আছে। স্কুল সার্টিফিকেট-সহ সরকারি বিভিন্ন নথিপত্র রয়েছে আমার। আমি এতদিন ধরে ভোট দিয়ে আসছি। তা সত্ত্বেও আমার নাম ওঠেনি। অথচ নির্বাচন কমিশন আমাকে আবার ভোটের ডিউটিতেও ডেকেছে।’ মন্তেশ্বরের দেনুর পঞ্চায়েতের মৌসা গ্রামের ২টি বুথের ২৩০০ ভোটারের মধ্যে ৭০০ জনের নাম বাদ পড়েছে। হাটকালনা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি শুভ্র মজুমদার বললেন, ‘এ পর্যন্ত ৭টি বুথের তালিকা বেরিয়েছে। বাদ গিয়েছে ৭০০ নাম। এতো স্পষ্ট রাজনৈতিক চক্রান্ত।’
❤ Support Us





