- দে । শ
- মে ২৮, ২০২৬
অভিষেক ও পরিবারের সম্পত্তির নির্মাণ নকশা তলব পুরসভার, বেআইনি নির্মাণ ইস্যুতে তোপ অগ্নিমিত্রার
ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার অধীনস্থ বিভিন্ন সম্পত্তির নির্মাণ সংক্রান্ত ‘এলিভেশন কপি’ জমা দিতে নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ। পুরসভা সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতাসহ শহরের একাধিক এলাকায় থাকা মোট ১৭টি সম্পত্তিকে ঘিরে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
এর আগেই হরিশ মুখার্জি রোড, কালীঘাট রোড-সহ একাধিক এলাকায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা পুরসভার কাছে ১০ দিন সময় চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
পুরসভার আধিকারিকদের দাবি, ‘এলিভেশন কপি’ হল কোনও ভবন নির্মাণের সময় জমা দেওয়া নকশার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনুমোদিত নকশার সঙ্গে বাস্তবে নির্মিত কাঠামোর মিল রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেই এই নথি প্রয়োজন হয়। কোথাও গরমিল ধরা পড়লে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং রুলসের ৪০০(১) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বেআইনি অংশ চিহ্নিত করে ভাঙার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
এই প্রসঙ্গে বুধবার আসানসোলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল তীব্র কটাক্ষ করেন। রামকৃষ্ণ মিশনে স্বামী বিবেকানন্দ ছাত্রবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছিলেন তিনি আইনের ঊর্ধ্বে। এখন তাঁরা ক্ষমতায় নেই, মানুষ তাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে সরকারি অর্থ অপচয় না করে, চিহ্নিত অবৈধ অংশ নিজেদেরই ভেঙে ফেলা উচিত।”
অগ্নিমিত্রা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর তাঁদের উত্তরের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে পুরসভা।
এদিকে, পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবারও তিলজলার গোলাম জিলানি খান রোড এলাকায় চারটি বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজ চালানো হয়েছে। পাশাপাশি পার্ক সার্কাস সংলগ্ন দরগা রোডে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও কসবার তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের একটি বাড়িতেও ফের ৪০০(১) ধারায় নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
❤ Support Us







