Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১২, ২০২৫

‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ : যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট পেশে বাড়ল সময়

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ : যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট পেশে বাড়ল সময়

দেশের রাজনৈতিক পরিসরে ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ বা ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতির কথা মোদি জমানায় লাগাতার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এবার সংবিধানে সংশোধনী আনার মাধ্যমে একযোগে সাধারণ নির্বাচন এবং রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন করার বিল লোকসভায় পেশ করেছে কেন্দ্র। গঠনমূলক নজরদারির জন্য সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট জমা করবার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার, লোকসভায় গৃহীত এক প্রস্তাবে জানানো হয়েছে, যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) আগামী বছরের শীতকালীন অধিবেশনের শেষ সপ্তাহের প্রথম দিন পর্যন্ত তাদের কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। কেন্দ্র সরকারের এ পরিকল্পনা নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক তুঙ্গে।

বিলটি প্রথমবার লোকসভায় উপস্থাপন করা হয় গত বছর ডিসেম্বর মাসে। এরপর দুই সংসদ কক্ষের যৌথ কমিটিতে বিলটির বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হচ্ছিল। এদিন লোকসভায়, এনডিএ দলের সদস্য এবং ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন’ প্যানেলের চেয়ারম্যান পি. পি. চৌধুরী এ প্রস্তাব আনেন। তিনি সদস্যদের অনুরোধ করেন, বিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে আরো সময় দেয়া হোক। প্রস্তাবে বলা হয়, ‘সংবিধানের ১২৯তম সংশোধনী বিল ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট জমাদানের সময়সীমা ২০২৫ সালের শীতকালীন অধিবেশনের শেষ সপ্তাহের প্রথম দিন পর্যন্ত বাড়ানো হোক।’

কী এই ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন’? প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচনের সময়সূচি এমনভাবে মিলিয়ে আনা যাতে দেশের সমস্ত সাধারণ নির্বাচন এক সঙ্গে বা প্রায় একই সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে সেটাই এ বিলের লক্ষ্য। এর উদ্দেশ্য একদিকে নির্বাচন ব্যয় কমানো, অন্যদিকে প্রশাসনিক ঝামেলা ও রাজনীতির ‘অতিরিক্ত বিরতি’ কমানো। মনে করা হয়, বার বার ভোটের ফলে কাজের গতি বাধাগ্রস্ত হয়। তবে বিরোধীরা বলছেন, এটা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করবে, সংবিধান প্রসূত রাজ্য এবং কেন্দ্রের স্বাতন্ত্র্য মর্যাদা হারাবে, ভেঙে পড়বে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো। নির্বাচনের সময়সূচি মেলানোর ফলে রাজনীতিতে একধরনের কেন্দ্রীকরণ বা একরকম পেশাদার রাজনীতির অবতরণ হবে, যা বিভিন্ন রাজ্যের স্বতন্ত্র ইস্যু ও পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বাম দলগুলি এই বিল নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। ফলে, দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক ও আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এ বিলটির ওপর দেশের রাজনৈতিক মহলে নজর রয়েছে। এদিনের, সময়সীমা বৃদ্ধির ফলে জেপিসি আরো সময় পেল গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট প্রস্তুতির।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!