Advertisement
  • Uncategorized দে । শ
  • আগস্ট ৪, ২০২৩

গৌরীকুন্ডে ভূমিধস।আশঙ্কা একাধিক মৃত্যুর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
গৌরীকুন্ডে ভূমিধস।আশঙ্কা একাধিক মৃত্যুর

দুর্যোগের আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে উত্তরাখণ্ডবাসীকে। ক্রমাগত বৃষ্টিতে আবার বিপদে সমগ্র রাজ্য। যে কারনে কেদারনাথের রাস্তায় গৌরীকুন্ডে নেমেছে ধস। যার নীচে চাপা পড়েছে বেশ কয়েকটি দোকানঘর। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দলের সদস্যরা। শুরু হয়েছে উদ্ধারকার্য। তাঁদের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপের নীচে ১০- ১২ জন আটকে থাকতে পারেন। তাঁদের খুঁজে বার করারর সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থার খবর, বৃহস্পতিবার রাতে যখন বৃষ্টি শুরু হয়, সেই সময় গৌরীকুণ্ডের কাছে পোস্ট ব্রিজে ওই ধস নামে। যার ফলে, বড়বড় পাথর নীচে নেমে আসতে শুরু করে। তার যার জেরে পরপর ৩টি দোকান ভেঙে পড়ে। সেসময় সেখানে ১০ থেকে ১২ জন উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এই বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁরা সম্পূর্ণ নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছেন । বেশ কয়েক ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে, অথচ এখনো তাঁদের কোনো খবর মেলেনি। একই সময়ে একটি যাত্রী বোঝাই গাড়ি রাস্তা পার হচ্ছিল  ধসের কবলে পড়েছে সেটিও। কেন্দ্র ও রাজ্যের উদ্ধারকারী দল সমবেতভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ধবংসস্তূপ সরিয়ে তাঁদের বের করে আনার। কিন্তু এখনো কোনো আশাজনক ফল মেলেনি।

দলীপ সিং রাজওয়ার উদ্ধারকার্যের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, খবর পেয়েছিলাম ভারী বৃষ্টিপাতের পর ভূমিধসের কারণে তিনটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকাজ শুরু হয়। দোকানগুলিতে যারা ছিলেন তাঁদের কাউকেই এখনো পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি। রুদ্রপ্রয়াগের পুলিশ প্রধান ড. বিশাখা বলেন, নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজতে তল্লাশি অভিযান চলছে। খবর  এসেছিল, ওই তিনটি দোকানের মাথায় পাথরের বড় চাঁই পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকাজ শুরু হয়। এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তুপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। । তাঁদের কাউকেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

জুন মাসে বেশ কয়েকদিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়য়েছিল কেদারনাথ যাত্রা। মূল কারণ অবশ্যই খারাপ আবহাওয়া। যে কারণে সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি ছিল না ধামি প্রশাসন। নাগাড়ে বৃষ্টিপাতের এক জেরে কেদারনাথ যাওয়ার রাস্তা বিপর্যস্ত হয়। শোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ ধামের উদ্দেশে যাত্রা করার পর মাঝপথেই থেমে যেতে হয় শিব ভক্তদের।

রুদ্রপ্রয়াগে ভারী বর্ষণ হয়েছে জুন ও জুলাই মাসে। অগাস্টের শুরুতেও একই পরিস্থিতি। ফলে অনেকক্ষেত্রেই কেদারনাথ ধামের এই যাত্রাপথ নিরাপদ নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ধস নামার পর নতুন করে ভক্তদের জন্য যাত্রা স্থগিত করা হতে পারে বলে খবর।  সোনপ্রয়াগ থেকেই সে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। যে কোনো রকম বিপদের জন্য উদ্ধারকারীরা যাতে প্রস্তুত থাকেন সেরকম নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!