Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • অক্টোবর ১০, ২০২৬

‘দিল্লিতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা !’ সিজেপি, বামেদের শীর্ষ নেতাদের পর, আটক মমতা-নেহা-যোগেন্দ্র

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‘দিল্লিতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা !’ সিজেপি, বামেদের শীর্ষ নেতাদের পর, আটক মমতা-নেহা-যোগেন্দ্র

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ, ‘এসআইআর’ বাতিলের দাবিতে ‘যন্তর মন্তর ২.০’ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। আন্দোলন ঘিরে শুক্রবার থেকেই উত্তপ্ত রাজধানী, ২৭ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন। ট্রেন বাতিল, মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ, বিভিন্ন জায়গায় ধরপাকড় চলছিল। শনিবার সকালে, বিমান থেকেই আটক হন অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস সহ ‘সিজেপি’-র শীর্ষ নেতা, পিনরাই বিজয়ন, এম এ বেবি, বৃন্দা কারাট, জন ব্রিটাস, মীনাক্ষী মুখার্জি, ঐশী ঘোষ সহ বাম নেতৃত্ব ও আন্দোলনে যোগ দেওয়া বহু বিক্ষোভকারী। তাঁদের কয়েক জনকে যন্তর মন্তরের কাছে আটক করে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। এবার আটক হলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতানেত্রীরা। অন্যদিকে, মিছিল এগিয়ে নিয়ে যেতে গিয়ে আটক হন নেহা বোরা, যোগেন্দ্র যাদবরা। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবীও আটক হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।  কার্যত দুর্গে পরিণত হওয়া রাজধানীতে, পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যে, নেতৃত্ব আটক হলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে ‘সিজেপি’-।

এদিন, আন্দোলনের সমর্থনে দিল্লিতে বাড়ির সামনেই ধর্নায় বসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানেও শেষরক্ষা হলো না। তাঁকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশ। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয়েছে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, লোকসভার সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, শামিরুল ইসলাম এবং তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলেকে। তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে অভিযোগ করেন, দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ তাঁকে আটকে রেখেছে, এমনকি কোনো রকম প্রতিবাদও করতে দেওয়া হচ্ছে না। যন্তরমন্তরে পৌঁছতে না পেরে বাড়ির সামনেই অবস্থান-বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মমতা। তাঁর বক্তব্য ছিল, সিজেপি-র আমন্ত্রণে দিল্লিতে এসেছেন তাঁরা। কিন্তু আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তাদেরই আটক করা হয়েছ।  সেই পরিস্থিতিতে সাংসদদের নিয়ে বাড়ির সামনেই বসে পড়েন মমতা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। তার পরেই মমতা-সহ তৃণমূলের নেতাদের আটক করা হয়।

প্রিজন ভ্যানে তোলার পরেও প্রতিবাদ থামাননি মমতা। তৃণমূল সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, গাড়ি চলতে শুরু করলে তার গতিবিধি নিয়ে আপত্তি জানান তিনি। অভিযোগ করেন, যে ভাবে গাড়ি চালানো হচ্ছে, তাতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মুখে ব্যান্ডেজ লাগিয়েও প্রতিবাদ জানান তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির বিরুদ্ধে। পরে প্রিজন ভ্যানে যেতে যেতেই ‘উই শ্যাল ওভার কাম’ গান ধরেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পালামের দিকে, এমনটাই জানা গিয়েছে। মমতা আগেই জানান, যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদেরও আটক করবে অথবা দিল্লির রাস্তায় ঘুরিয়ে বেড়াবে। কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে প্রায় দু–ঘণ্টা ধরে রাস্তায় ঘোরানো হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। সে কারণেই রাস্তায় বসে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বার্তা ছিল, ‘সংবিধান ও গণতন্ত্র বাঁচাও’।

দিল্লির বহু অঞ্চলে এই মুহূর্তে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ নম্বর ধারা জারি থাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই বিধিনিষেধের কথা উল্লেখ করে প্রথমে তৃণমূল নেতৃত্বকে ধর্না তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মমতা ও তাঁর সঙ্গীরা অবস্থান চালিয়ে যাওয়ায় তাঁদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় বলে খবর। আটক হওয়ার পর প্রিজন ভ্যান থেকেই একটি ভিডিয়ো বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, তাঁদের অপরাধীর মতো করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা-ও তাঁদের জানানো হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উদ্দেশে প্রতিমা বলেন, ‘দিদি আপনাদের সঙ্গে রয়েছেন, আপনাদের পাশে রয়েছেন। আপনাদের অধিকার রক্ষার জন্য দিদি যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তার জন্য সকলে কৃতজ্ঞ।’ মমতাদের আটকের ঘটনায় তৃণমূলের তরফে এখনো পর্যন্ত যে বক্তব্য সামনে এসেছে, তাতে গোটা ঘটনাকে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার চেষ্টা হিসাবেই দেখা হচ্ছে। দলের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানানোর সুযোগটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। সাংবাদিকদের ঢুকতে না দেওয়া, সাধারণ মানুষকে আটকে রাখা, ছাত্রছাত্রী ও যুবকদের আটক করা এবং ট্রেন বাতিলের মতো পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা দেওয়া যাবে না বলে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দিল্লিতে কার্যত সেই অধিকারই খর্ব করা হচ্ছে।

দিল্লিতে ধরপাকড়ের শুরু হয়েছিল ‘সিজেপি’-র শীর্ষ নেতৃত্বকে আটক করার মধ্য দিয়ে। কিন্তু শীর্ষ নেতারা আটক হলেও আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসার কোনও ইঙ্গিত দেয়নি ‘সিজেপি’। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তা নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতেও চলবে। সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অজিঙ্ক্য শিন্ডে এ বার যন্তরমন্তরের কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন। গ্রেফতারির আশঙ্কায় আগের রাতেই একটি ভিডিয়ো বার্তা রেকর্ড করে রেখেছিলেন অভিজিৎ দীপকে। সিজেপি-র তরফে প্রকাশিত সেই ভিডিয়োয় জানানো হয়েছে, দীপকে, রানকা এবং সৌরভ দাস আটক হলে আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাবেন অজিঙ্ক্য শিন্ডে। অর্থাৎ, শীর্ষ নেতৃত্বকে আটক করে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা হলেও বিকল্প নেতৃত্বের মাধ্যমে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি আগে থেকেই ছিল বলে দাবি দলের। আটক হওয়ার সময় অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘দেশে জরুরি অবস্থার সময়ে ইন্দিরা গান্ধীও এ রকম করেননি। আমরা গ্রেফতার হতে প্রস্তুত।’ তাঁর এই মন্তব্যকে সামনে রেখেই আন্দোলনকারীরা সরকারের পদক্ষেপের সঙ্গে জরুরি অবস্থার সময়কার দমনমূলক পরিস্থিতির তুলনা করছেন।

‘সিজেপি’-র কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে একাধিক আইনজীবীকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়া আইনজীবীদের আটক করা নিয়ে আইনি মহলেও প্রশ্ন উঠেছে।  শনিবার জাতীয় নাট্য বিদ্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে এক দল আইনজীবীকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। মাণ্ডি হাউসের কাছে একটি বাসে তাঁদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ‘সিজেপি’-র আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিংহকেও আটক করা হয়েছে বলে দলের দাবি। রত্না জানান, সুপ্রিম কোর্টের বাইরে প্রতিবাদ জানাতে ইচ্ছুক আইনজীবীদের একটি জমায়েতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। তিন জন মানুষের জমায়েতকে বেআইনি সমাবেশ হিসাবে চিহ্নিত করা যায় কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। দলের নীতি বিভাগের প্রধান মেহর পাশরিচা এবং আইনি দলের সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ‘সিজেপি’-র আইনি দল এই আটকের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আইনের দ্বারস্থ হবার তোড়জোড় শুরু করেছে বলে জানা যাচ্ছে।

দিল্লির আন্দোলন ঘিরে ধরপাকড়ের তালিকায় রয়েছেন একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মী। আইএনএ মার্কেটের কাছে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটক করা হয়েছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভানেত্রী নেহা বোরাকে, সিপিআই (এম-এল)-এর প্রধান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ ও সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদবকে। যন্তরমন্তরে পৌঁছতে না পেরে আন্দোলনকারীদের একাংশ দিল্লি হাটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদেরও আটক করা হয়েছে বলে খবর। কনট প্লেস, রিগ্যাল সিনেমা হল, মিন্টো ব্রিজ এবং আকাশবাণী ভবনের কাছ থেকেও বহু বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আকাশবাণী ভবনের কাছে ইমতিয়াজ আলি মার্গে নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েক জন বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে। পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, দুপুর নাগাদ ২৫ থেকে ৩০ জন ব্যারিকেড টপকে নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন এবং কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে।

সিপিএমের অভিযোগ, ছাত্র ও যুবদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পথে বাধা দিয়ে সরকার মৌলিক অধিকার খর্ব করছে। দলের বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন।  দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ডিএমকে সভাপতি এম কে স্ট্যালিনও। শনিবার তিনি বলেন, ‘মতবিরোধ অপরাধ নয়।’ গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে যাঁরা পথে নামেন, তাঁদের কণ্ঠরোধ করে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে যে ধরনের দমনমূলক পদক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে, তা তাঁকে জরুরি অবস্থার (১৯৭৫-৭৭) কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

দিল্লির আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে গিয়ে মুম্বইয়ে আটক হয়েছেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তথা সমাজকর্মী তুষার গান্ধী। ‘হম ভারত কে লোগ’ সংগঠনের প্রধান তুষারকে বান্দ্রা থেকে আটক করে ডি এন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক অগস্ট ক্রান্তি ময়দানে সিজেপি-র আন্দোলনের সমর্থনে একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই তাঁকে আটক করা হয়। অন্যদিকে, ‘বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ি’র প্রধান প্রকাশ আম্বেদকর দক্ষিণ মুম্বইয়ের হুতাত্মা চকে সংহতি জমায়েতের ডাক দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমনে কেন্দ্র স্বৈরতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করছে। ট্রেন বাতিল, মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং যাতায়াতের পথে বাধা দেওয়ার ফলে আন্দোলনে যোগ দিতে ইচ্ছুক মানুষ দিল্লি পৌঁছতে পারছেন না বলেও দাবি করেন তিনি। প্রকাশ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলির আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে। সরকারের উচিত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে দেওয়া এবং মানুষের বক্তব্য শোনা। অভিজিৎ দীপকের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, গ্রেফতারি বা জেলে যাওয়ার আশঙ্কায় আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসা উচিত নয়। জরুরি অবস্থা এবং মণ্ডল কমিশনকে কেন্দ্র করে অতীতে যে সব আন্দোলন হয়েছিল, সেগুলির সঙ্গে তুলনা টেনে তিনি বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সিজেপি-র নেতাদের আটক করার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছেন আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলার জেরে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যে ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত। সমাজমাধ্যমে কেজরীওয়াল লেখেন, ‘এ বার নিশ্চিত, আমরা মোদির শাসনে চরম স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে বাস করছি। বিমানে ওঠার পরেই আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এর থেকে নজিরবিহীন ভয়ের আর কী প্রমাণ হতে পারে!’  তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোট চুরির মাধ্যমে নির্বাচনে জেতার অভিযোগ আড়াল করতে গণতন্ত্রকে দমন করতে চাইছেন। কেজরীওয়ালের হুঁশিয়ারি, জ্ঞানেশ কুমারকে তো সরতেই হবে, তবে নরেন্দ্র মোদিকেও এবার যেতে হবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!