Advertisement
  • দে । শ
  • এপ্রিল ৭, ২০২৬

আলুর উদবৃত্ত ফলন, বিক্রিতে মিলবে রাজ্যের সহয়তা । মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বসে খুশি কৃষকরা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আলুর উদবৃত্ত ফলন, বিক্রিতে মিলবে রাজ্যের সহয়তা । মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বসে খুশি কৃষকরা

নাদনঘাটের সমুদ্রগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভা থেকে বাড়ি ফিরে খুশি হাজার হাজার আলু চাষি। কারণ তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মমতার সভায় যোগ দেন কাটোয়া, কালনা, পূর্বস্থলী, মন্তেশ্বর, মেমারি, রায়না, জামালপুরের কৃষকরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘আলুর ক্ষতি হলে কৃষকরা শস্যবিমায় ক্ষতিপূরণ পাবেন। আমাদের বিমা করা আছে।’ যাদের আলুর অতি ফলন হয়েছে, তাদেরকেও খুশির খবর দিয়েছেন মমতা। আশ্বস্ত করেছেন, ‘আলু বাইরে পাঠাতে চাইলেও কোনো সমস্যা নেই।’ জানিয়েছেন, ‘সরকার ন্যায্য দামে কৃষকদের কাছ থেকে আলু কিনে নিচ্ছে।’ কাটোয়ার আলু চাষি প্রশান্ত পাল, মেমারির প্রবীর সরকার, পূর্বস্থলীর ইমতাজ হোসেনদের কথায়, ‘মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় আমরা আশ্বস্ত। উনি যে কৃষক দরদি, তার প্রমাণ আগেও পেয়েছি, এবারও পেলাম।’ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি বললেন, ‘কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সারের উপর থেকে ভর্তুকি তুলে কৃষকদের সর্বনাশ ডেকে এনেছেন। আর মমতা ব্যানার্জি কৃষকদের জন্য নিখরচার শস্যবিমা চালু করে, ভাতার ব্যবস্থা করে, ক্ষতিপূরণ দিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছেন।’

২০২৪ সালে বাজারে আলুর ঊর্ধ্বমুখী দামে লাগাম পরাতে ভিন্ রাজ্যে আলু পাঠানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। ফলে বাড়তি ফলন হলে কৃষকদের কম দামে আলু বেচতে হত। বাইরে আলু বিক্রিতে কোনও বাধা না থাকার আশ্বাস পেয়ে খুশি আলু চাষিরা। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘কৃষকদের কাছ থেকে যেমন ধান কেনা হয়, তেমনি আলু কেনা হচ্ছে। সেই আলু সুফল বাংলার স্টলে পাঠানো হচ্ছে। মিড-ডে মিল রান্নার কাজে লাগানো হচ্ছে।’  উল্লেখ্য যে, আলুর দাম না পেয়ে এবার পূর্ব বর্ধমানের গলসি, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা ও পুরাতন মালদার ৩ কৃষক আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ তোলে তাদের পরিবার। পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে রাস্তায় আলু ছড়িয়ে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। সেই আবহে সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা আলুচাষিদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাল।

এ বছর আলুর ফলন খুবই ভাল হয়েছে। কৃষি দপ্তর সূত্রের খবর, রাজ্যে বছরে গড় আলুর উৎপাদন ১ লক্ষ ২৫ হাজার টন। সেখানে এবার আলুর উৎপাদন প্রায় ১ লক্ষ ৪৬ হাজার টনে পৌঁছেছে। তাও আলু তোলার মরশুমে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে কিছুটা ক্ষতি না হলে তা ২ লক্ষ টনে পৌঁছে যেত বলে মনে করছেন কৃষি আধিকারিকরা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!