- দে । শ
- মার্চ ২৭, ২০২৬
সিদ্দিকুল্লার নির্বাচনী সভায় জনজোয়ার
রাজ্যজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার পৌঁছেছে মন্তেশ্বরে। বাম জমানার মন্তেশ্বরের সঙ্গে তৃণমূলের আমলের মন্তেশ্বরের আকাশজমিন ফারাক। দাবি মন্তেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। তাঁর সমর্থনে মিছিল ও সভায় কুসুমগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকা কার্যত জনজোয়ারে ভাসল। তৃণমূলের আমলে চালু হওয়া বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প, পরিষেবা, উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি। মন্তেশ্বরেও হাসপাতাল থেকে শুরু করে তাঁর বিধায়ক তহবিলের অর্থ ও রাজ্য সরকারের অর্থে কী কী উন্নয়ন হয়েছে, তার বিস্তারিত খতিয়ানও পেশ করেন সিদ্দিকুল্লা সাহেব।
সভা ও দীর্ঘনগর থেকে কুসুমগ্রাম পর্যন্ত মিছিলে জনজোয়ার দেখা গেলেও মন্তেশ্বরের ব্লক তৃণমূল সভাপতি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি থেকে ব্লকের কয়েকজন প্রধান-উপপ্রধানদের অনুপস্থিতি নজর এড়ায়নি সিদ্দিকুল্লা সাহেবের। তাঁদের জন্য পঞ্চায়েত ভোটে কীভাবে টিকিট জোগাড় করেছিলেন, সেই তথ্য তুলে ধরে প্রত্যেককে অবিলম্বে ভোটের প্রচারে নামার আহ্বান জানান সিদ্দিকুল্লা সাহেব। বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জিকে চতুর্থবারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসাতে সবাই মিলে একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।’
২০২১ সালে পূর্ব বর্ধমান জেলায় সবথেকে বেশি ভোটে জেতেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সেই কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে মন্ত্রিত্ব পান তিনি। এবারও তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব তাঁকে মন্তেশ্বর বিধানসভার প্রার্থী করেছে। কিছুদিন আগে সিদ্দিকুল্লা সাহেব মন্তেশ্বরের মাটিতে চরম হেনস্থার শিকার হন। সে ঘটনা মনে করিয়ে এই সভা থেকে হুঁশিয়ারি দেন সিদ্দিকুল্লা সাহেব। বলেন, ‘যারা মন্তেশ্বর, কুসুমগ্রামে আগুন জ্বালিয়েছে, সে আগুন তাদেরকেই নেভাতে হবে। না হলে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। জনগণই তাদের বিচার করবে।’ সেইসঙ্গে সিদ্দিকুল্লা সাহেবের সাফ কথা, ‘কুসুমগ্রামে তোলাবাজি চলবে না।’ আর জনজোয়ারে আপ্লুত সিদ্দিকুল্লা সাহেবের উপলব্ধি, ‘মনে হচ্ছে জয়ের মার্জিন গত বছরের থেকেও বেশি হবে।
❤ Support Us





