- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতার গঙ্গাবক্ষে ভোরের নৌবিহার, বারাণসীর স্মৃতিতে আবেগঘন প্রধানমন্ত্রী মোদি
বিধানসভা ভোটের প্রচারে বাংলায় এসে এক ভিন্ন মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মাঝেই তিনি উপভোগ করলেন কলকাতার ভোরের সৌন্দর্য—হুগলি নদীতে নৌবিহার করে যেন ফিরে গেলেন নিজের কেন্দ্র বারাণসীর স্মৃতিতে।
সকালে গঙ্গার বুকে নৌকায় বসে নিজেই ক্যামেরায় বন্দি করেন শহরের অপরূপ রূপ। সেই ছবিগুলি পরে নিজের সোশাল মিডিয়ায় পোস্টও করেন তিনি। কলকাতার ভোরের শান্ত, মনোরম পরিবেশ তাঁকে মুগ্ধ করেছে বলেই জানান প্রধানমন্ত্রী।
বার্তায় তিনি গঙ্গার সঙ্গে বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ‘গঙ্গা শুধু একটি নদী নয়, বরং বাংলার আত্মার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই নদীর পবিত্র জলে ভারতীয় সভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে।’ কলকাতায় অবস্থানকালে হুগলি নদীতে কিছুটা সময় কাটাতে পেরে তিনি নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ মনে করেছেন। পাশাপাশি মাঝি ও প্রাতভ্রমণকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা এবং তাঁদের কঠোর পরিশ্রমও তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই গঙ্গাবিহার কলকাতাবাসীর কাছেও এক অভিনব দৃশ্য। শহরের সৌন্দর্যকে এভাবে উপভোগ করতে দেখে অনেকেই আনন্দিত ও বিস্মিত। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের কারণে সম্প্রতি বারবার বাংলায় আসছেন তিনি। জনসভা, রোড শো ছাড়াও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেছেন। ঝাড়গ্রাম থেকে ফেরার পথে রাস্তার ধারের ছোট দোকানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনাও ইতিমধ্যে আলোচনায় এসেছে। এর আগের দিন তিনি বেলুড় মঠে যান। সেখানে প্রধান স্বামী গৌতমানন্দজি সহ অন্যান্য সন্ন্যাসীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটান। বেলুড় মঠের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে, এবং কলকাতায় এলেই সুযোগ পেলে সেখানে ধ্যান ও প্রার্থনায় প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, তাঁর সাংসদ কেন্দ্র বারাণসীর সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ আরও জোরদার করতে চলতি বাজেটে একটি করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, “কলকাতার গঙ্গাবক্ষে এই অভিজ্ঞতা আমার কাছে বারাণসীর স্মৃতিকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে এবং বাংলার মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।”
❤ Support Us







