- দে । শ বৈষয়িক
- মে ১৬, ২০২৩
পাক অর্থনৈতিক সঙ্কট নিয়ে সাবধানী আইএমএফ।ঋণ মুক্তিতে শাহবাজের শেষ ভরসা চিন
দেশের আর্থিক ও রাজনৈতিক সংকট অন্য দিকে আইএমএফ-এর ৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অনিশ্চয়তা এখন পাকিস্তান চিনের দিকে যেতে বাধ্য করছে। পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকদের কাছে এ ছাড়া দেশের মানুষ ও অর্থনীতির ভারসাম্যহীন অর্থ ব্যবস্থার সংকট থেকে মুক্তি দেওয়ার আর কোনও উপায় নেই। মঙ্গলবার এমনই একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছে।
পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কটের তীব্রতা লক্ষ্য করে আইএমএফ ধীরে চলা এবং অপেক্ষা করুন এবং দেখুন নীতি গ্রহণ করেছে। তবে এই নীতিটি দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুসরণ করা যাবে না, বলেই সোমবার পাকিস্তানের একটি শীর্ষ সরকারী সূত্র জানিয়েছে। ওই শীর্ষ সরকারি সূত্রে আরও জানা গেছে, হয় আইএমএফকে নবম পর্যালোচনা শেষ করার মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে বা নবম পর্যালোচনা বাতিল করতে হবে। তবে তারা নবম পর্যালোচনা শেষ না করে আইএমএফের সাথে আর কোন তথ্য ভাগ করতে চাইছে না বলেই ওই সূত্রে জানা গেছে।
আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে এবং সার্বিক উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে, সেদেশের অর্থনীতিবিদরা এখন সে দেশের সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছেন যে আইএমএফ-এর কর্মসূচিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য শেষ পর্যন্ত প্রচেষ্টা চালাতে বা সংকটে পরে যাওয়া অর্থনীতিকে বাঁচাতে পাকিস্তানের এখন উচিত তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ চিনের দিকে স্পষ্টভাবে তাকানো।
প্রসঙ্গত, চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং গত মাসেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে আশ্বস্ত করেছেন যে বেইজিং পাকিস্তানকে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানকে আর্থিক সাহায্য দিয়েছে সি জিনপিং এর দেশ।
পাকিস্তানের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এবং প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ডঃ হাফিজ এ পাশা বলেছেন, যদি আইএমএফ এগিয়ে না আসে তাহলে পাকিস্তানের পক্ষে চিনের দিকে তাকানো ছাড়া আর কোনও বিকল্প উপায় থাকছে না। তিনি বলেছিলেন যে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক বা এআইআইবি পাকিস্তানকে দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে মোট অর্থের প্রবাহকে পরিশোধের হিসেব বা বিওপি সংকট এড়াতে সাহায্য করার জন্য একটি হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
পাকিস্তান, বর্তমানে একটি বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। একদিকে উচ্চ হারে বৈদেশিক ঋণ, দেশের মধ্যে আর্থিক ঘাটতি পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সংরক্ষণ হ্রাস পাওয়ায় এই আর্থিক সংকট আরও তীব্রতর হয়েছে।
❤ Support Us








