Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ৫, ২০২৩

দেগঙ্গায় ভোটের বলি ১৭ বছরের স্কুল ছাত্র।দোষারোপের ঠেলাঠেলিতে নেপথ্যে কি থেকে যাচ্ছে মূল কুশীলবরা ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দেগঙ্গায় ভোটের বলি ১৭ বছরের  স্কুল ছাত্র।দোষারোপের ঠেলাঠেলিতে নেপথ্যে কি থেকে যাচ্ছে মূল কুশীলবরা ?

বড়দের ভোটের লড়াইয়ে রেহাই নেই ছোটদেরও। মঙ্গলবার রাতে দেগঙ্গায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসার বলি হলেন ১৭ বছরের এক স্কুল ছাত্র। মৃত ছাত্রের বাবার অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল এই ঘটনায় সিপিএম এবং আইএসএফ-এর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। মৃত ছাত্রের নাম ইমরান হাসান, সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ত । উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার এই ঘটনায় গতকাল রাত থেকেই এলাকায় রীতিমতো উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে ওই রাতেই। তৃণমূল সূত্রে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে দলীয় সভা থেকে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের উপর আচমকা হামলার চালায় সিপিএম এবং আইসএফ সমর্থিত নির্দলের লোকজন। তখন বাবার সঙ্গে দেগঙ্গার শোয়াই শ্বেতপুর এলাকা দিয়ে ফিরছিলেন ইমরান হাসান। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এই নিয়ে গত ২৬ দিনে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৬ জন খুনের ঘটনা ঘটল। মৃত ইমরানের বাবা এলাকায় তৃণমূলের কর্মী বলেই পরিচিত।

তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, রাস্তার পাশে বাড়ির ছাদ থেকে তৃণমূলের মিছিলে বোমা ছোঁড়া হয়েছে। বোমার আঘাতেই মৃত্যু হয় ১৭ বছরের নাবালক ইমরানের।মৃতের পরিবারের তরফেও এই দাবিই করা হয়েছে। এমনকি ছেলের সঙ্গে থাকা তাঁর বাবাও তাঁর ছেলেকে বোমা মেরে খুনেরই অভিযোগ করেছেন। সিপিএম ও আইএসএফ সমর্থিত নির্দলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলা হলেও মূল অভিযোগ তোলা হচ্ছে সিপিএম এবং আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে।

এদিকে, দেগঙ্গার এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সিপিএম, আইএসএফ, বিজেপি এবং কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে রাজনীতিতে পেরে উঠছে না। তাই তারা শান্ত রাজ্যকে সন্ত্রাসের মাধ্যমে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে। আসলে বিরোধীরা জনবিচ্ছিন্ন হয়েই এসব করছে।
তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেছেন, “যেখানে আইএসএফ শক্তিশালী, যেখানে আইএসএফ-এর সঙ্গে তৃণমূল পেরে উঠছে না ,সেখানেই আক্রমণ করে আইএসএফ-এর নাম দোষ দিচ্ছে। ভাঙ্গড়েও একই কায়দায় আমাদের কর্মীদের মার্চে তৃণমূল। আইএসএফ-এর ছেলেদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে। আইএসএফ-এর সভায় ভিড় দেখে শাসকদল আসলে ভয় পাচ্ছে।”

এদিকে নওশাদের এই বক্তব্যের উত্তরে তৃণমূল নেতা সওকত মোল্লা বলেছেন, “দেগঙ্গায় যেখানে চারটে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সেখানে আইএসএফ বা সিপিএম-এর সমর্থনে নির্দল প্রার্থী আছে। তাই আইএসএফ এবং সিপিএম ওখানে জোট করে তৃণমূলকে আক্রমণ করছে। আমরা পুলিশকে বলছি দ্রুত এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!