- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ৯, ২০২৩
সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে ইউক্রেন হামলা রাশিয়ার
ফাইল চিত্র
ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের পাল্টা জবাব মস্কোর। পূর্ব ইউক্রেনে রকেট হানা চালিয়ে শতাধিক ইউক্রেনীয় সেনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করল রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
নতুন বছরের শুরুতেই রুশ অধিকৃত ডোনেৎস্ক প্রদেশে হামলা চালিয়ে ৮৯ জন রুশ সেনাকে হত্যা করে ইউক্রেন। রবিবার সেই ক্ষেপনাস্ত্র হামলারই প্রতিশোধ নেয় রাশিয়া। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক রবিবার দাবি করেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাংশে ক্রামাতোরস্ক শহরে রকেট হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের ৬০০ সেনাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ক্রামাতোরস্ক শহরের যে দু’টি হস্টেলে অস্থায়ী ঘাঁটি গেড়েছিলেন ইউক্রেনীয় সেনারা, সেখানে রকেটহামলা চালানো হয়েছে। সেখানকার দু’টি হস্টেলের একটিতে ৭০০ এবং অন্যটিতে ৬০০-র বেশি ইউক্রেনীয় সেনা ছিলেন। যাঁরা রকেটহানায় নিহত হয়েছেন। রাশিয়ার এই দাবি যদি সত্যিী হয়য় তাহলে ২৪ ফেব্রুয়ারী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটাই হবে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় সেনাক্ষয় বলে জানাচ্ছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।
ইউক্রেন রাশিয়ার এই রকেট হামলার দাবিকে স্বীকার করলেও সেনা নিহত হওয়ার ব্যাপারটি অস্বীকারই করেছে। ক্রামাতোরস্ক শহরের মেয়র ফেসবুকে জানিয়েছেন, রবিবার পূর্ব ইউক্রেনের বিভিন্ন জায়গায় রুশ হামলা হয়েছে। কিন্তু কোনো ইউক্রেনীয় সেনার মৃত্যুর খবর তাঁর কাছে নেই। দুটো স্কুল বাড়ি আর আটটা বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেন সেনার এক পদস্থ আধিকারিক এ প্রসঙ্গে বলেছেন যে, রাশিয়ার রকেট হানায় কেবলমাত্র কিছু অসামরিক ভবন ধ্বংস হয়েছে মাত্র। সেনার গায়ে এই হামলার কোনো আঁচই পড়েনি বলে মন্তব্য তাঁর।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি পুতিন ৩৬ ঘণ্টার যুদ্ধ বিরতি ঘোষনা করেছিলেন।যদিও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান জেলেনেস্কি একে ক্রেমলিনের রণকৌশল বলেই মন্তব্য করেন। ইউক্রেনের স্থানীয় মানুষরা জানাচ্ছেন আশ্বাস থাকলেও রুশ হামলা বন্ধ হয়নি। শনিবারও ইউক্রেনের বাখমুখ শহরে শেলিং হয়েছে। অন্যদিকে, রাশিয়ার দাবি যে যুদ্ধবিরতি মানেনি ইউক্রেন। ক্রমাগত মস্কোর দিকে লক্ষ্য রেখে গোলা বর্ষণ করে গেছে। পুতিনের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ সার্গেই কিরিয়েঙ্কো জানাচ্ছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি যে অভিযান শুরু করেছে তা সম্পূর্ণ হবেই। সুতরাং দুপক্ষের এই তরজায় আন্তর্জাতিক রাজনীতি আরও জটিলতর রূপ ধারণ করল, যার দুর্ভোগ দুদেশের পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। পরিস্থিতি যা তাতে আপাতত দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির কোনো আশা দেখছেন না আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা।
❤ Support Us







