Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

নবম নয়, এবার অষ্টম শ্রেণিতেই সাইকেল ! ‘সবুজসাথী’র বদলে নতুন প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
নবম নয়, এবার অষ্টম শ্রেণিতেই সাইকেল ! ‘সবুজসাথী’র বদলে নতুন প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

নবম নয়, এবার অষ্টম শ্রেণিতেই স্কুলপড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে যাবে সাইকেল। রাজ্যে আগের ‘সবুজসাথী’ প্রকল্পের পরিবর্তে নতুন নামে ‘সারথি’ প্রকল্প চালু করল নতুন বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার হাওড়ার ব্যাঁটরার মধুসূদন পাল চৌধুরী হাইস্কুলে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আগের সরকারের আমলে নবম শ্রেণিতে উঠলে পড়ুয়াদের সাইকেল দেওয়া হতো। নতুন ব্যবস্থায় সে নিয়ম বদলে অষ্টম শ্রেণিতেই সাইকেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি অনুযায়ী, ‘সারথি’ প্রকল্পের আওতায় মোট ১২.৫৯ লক্ষ পড়ুয়া উপকৃত হবে। নতুন প্রকল্পে শুধু নাম ও লোগোর পরিবর্তনই নয়, সাইকেলের গুণমানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। আগের নীল রং ও বিশ্ববাংলার লোগোর পরিবর্তে সাইকেলে ব্যবহার করা হচ্ছে গেরুয়া রং। পাশাপাশি সাইকেলে উপযুক্ত আলো, উন্নত মানের টায়ার এবং আরও ভালো মানের যন্ত্রাংশ ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্কুলপড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এ পরিবর্তন বলে তাঁর বক্তব্য।

মঙ্গলবার প্রকল্পের সূচনামঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শুধু নাম পরিবর্তন নয়, সাইকেলের গুণমান নিশ্চিত করতে মান পরীক্ষা করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, পড়ুয়াদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েই নতুন সাইকেল তৈরি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সাইকেল তৈরির ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, আগে পাঞ্জাব থেকে যন্ত্রাংশ এনে রাজ্যে সাইকেল তৈরি করা হতো। এবার থেকে সাইকেলের যন্ত্রাংশ ও উৎপাদনের কাজ রাজ্যেই করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর জন্য সাইকেল কারখানা তৈরিতে জমি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

নতুন প্রকল্প নিয়ে আগের সরকারের উদ্দেশে রাজনৈতিক আক্রমণও শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে প্রকল্পটির সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয়রা যুক্ত ছিলেন। নতুন সরকার সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনেছে বলেও জানান তিনি। প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাবে কি না, তা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, ‘সারথি’ চালুর মাধ্যমে তারও জবাব দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রকল্পের সূচনার পর মধুসূদন পাল চৌধুরী হাইস্কুলের পড়ুয়াদের সঙ্গে একই টেবিলে বসে মধ্যাহ্নভোজ বা মিড-ডে মিলেও অংশ নেন শুভেন্দু অধিকারী। স্কুলপড়ুয়াদের সঙ্গে তাঁর এই মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!