- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫
কাজের টোপ দিয়ে ২ নাবালককে পাচারের ছক
সাধ দামি মোবাইল কেনার। সাধ্যে কুলোচ্ছিল না। জানতে পেরে ওই ২ নাবালক পড়ুয়াকে গোয়ায় মোটা টাকা বেতনের টোপ দেয় পাচারকারী চক্র। অভিযোগ পেয়ে শিয়ালদাগামী ডাউন তিস্তা-তোর্ষা এক্সপ্রেস ট্রেনের জেনারেল কামরা থেকে মধ্যরাতে ওই ২ নাবালককে উদ্ধার করলেন কাটোয়া স্টেশনে কর্তব্যরত আরপিএফের কর্মীরা। নাবালক দুজনের বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। তাদেরকে শিশু সুরক্ষা কমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন আরপিএফের ইন্সপেক্টর আশুতোষ ব্যানার্জি। জানা গেল, ২ নাবালকের একজনের বাবা ট্রাক্টর চালান। অন্যজনের বাবা খেতমজুর।
ছেলেদের স্মার্টফোনের আবদার রাখতে পারছিলেন না। সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় পাচারচক্র। গোয়ায় মোটা মাসমাইনের চাকরি, সমুদ্র দেখায় টোপ দিয়ে ট্রেনে চেপে হাওড়া যাওয়ার কথা বলে। তাদেরকে আনতে একজনকে হরিশ্চন্দ্রপুরে পাঠিয়েও দেয়। তবে আরপিএফের উপস্থিতি টের পেয়ে সেই ব্যক্তি গা-ঢাকা দেয়। ছেলেরা ট্রেনে চেপেছে জেনে তাদের বাড়ির লোকজন রেলের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে বিহিত চান। তাতেই কাজ হয়। আরপিএফ সূত্রের খবর, নাবালকদের বিভ্রান্ত করে হয় শিশু শ্রমিক হিসেবে কাজে লাগানো বা পাচারের ছক কষা হয়েছিল। পুরো ব্যাপারটি নাবালকরা কবুলও করেছে।
❤ Support Us







