- বি। দে । শ
- সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
হরমুজ প্রণালীতে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তুতি দক্ষিণ কোরিয়ার
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে এবার কি যুক্ত হতে চলেছে দক্ষিণ কোরিয়া ? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে সৈন্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংসদীয় অনুমোদন সাপেক্ষে, সরকার চলতি বছরের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালীতে এই সৈন্য মোতায়েন শুরু করতে পারে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালীতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সরকার চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই মোতায়েন শুরু করতে পারে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সরকারি ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, সরকার সেনা মোতায়েনের জন্য সংসদীয় অনুমোদন চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মন্ত্রিসভার পর্যালোচনার পর এই মাসেই অনুমোদনের জন্য সংসদে একটা প্রস্তাব পেশ করা হবে। সরকার বর্তমানে সামুদ্রিক টহল বিমান, রসদ সরবরাহকারী জাহাজ এবং মাইন শনাক্তকরণ ও অপসারণ ইউনিটসহ বিভিন্ন মোতায়েন বিকল্প বিবেচনা করছে। সম্ভাব্য এই অভিযানের পরিধি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমিকা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তবে, দক্ষিণ কোরিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ব্লু হাউস জানিয়েছে যে, সিউল হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় অবদান রাখার বাস্তবসম্মত উপায় নিয়ে আলোচনা করছে। তবে, সরকার এই সেনা মোতায়েনের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের দিক থেকেও দক্ষিণ কোরিয়ার এই পদক্ষেপটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। আগস্ট মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া সীমিত করেছেন। ট্রাম্পের মতে, এর কারণ ছিল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করার ব্যাপারে অসম্মতি। যদি সিউল হরমুজে সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়, তবে তা ইরান যুদ্ধের পর দেশটির রণকৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
❤ Support Us







