- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
সিবিআইয়ের হস্তক্ষেপ চেয়ে হাইকোর্টে বিরোধী দলনেতা
চন্দ্রকোনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল আগেই। এবার ঘটনার তদন্তে সিবিআইয়ের হস্তক্ষেপ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু । মঙ্গলবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি সিবিআই তদন্তের আবেদন জানান । আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলাটি দায়ের করার অনুমতি মিলেছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার। ওইদিন পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে মেদিনীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ফেরার সময় চন্দ্রকোনা রোডের সাতবাঁকুড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অঞ্চল অফিসের সামনে তাঁর কনভয়ে হামলা হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২০ জন দুষ্কৃতী বাঁশ ও লাঠি নিয়ে তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়।
হামলার অভিযোগ ওঠার পরই শুভেন্দু তাঁর গাড়ির দিক পরিবর্তন করে সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড ফাঁড়িতে পৌঁছন। সেখানে ফাঁড়ি ইনচার্জের সামনেই মেঝেতে বসে পড়েন তিনি। বিরোধী দলনেতা সাফ জানিয়ে দেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তিনি অবস্থান তুলে নেবেন না। ফাঁড়ি ইনচার্জ তাঁকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ করলেও, দীর্ঘ সময় তিনি অনড় থাকেন। পরে অবশ্য তিনি ফাঁড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
এই ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে ঘটনার দিনই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দুর অভিযোগ কার্যত খারিজ করে দেয়। তাঁদের দাবি, শুভেন্দুর গাড়ির উপর কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, অঞ্চল অফিসের সামনে একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময় বিজেপির সমর্থকেরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানাতে সেখানে হাজির হন। এরপর তৃণমূল কর্মীদের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী স্লোগান দেওয়া শুরু হয়, যার পালটা স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তারক্ষীরাই সবাইকে সরিয়ে দেয় বলে দাবি তৃণমূলের। তাদের মতে, কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি।
এই পরিস্থিতিতে এবার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
❤ Support Us







