- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ২, ২০২৬
‘বিহার–ওড়িশার পর এবার বাংলা সাফ’, মালদহের জনসভা থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর
নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তাপ। শুক্রবার মালদহের চাঁচলে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভার আগেই মালদহে এই সভা করে রাজনৈতিক বার্তা দিল বিজেপি।
সভা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, “বিহার ও ওড়িশার পর এবার বাংলা সাফ হবে।” তাঁর বক্তব্য, এপ্রিল মাসের পর রাজ্যে রাজনৈতিক বদল আসবে এবং তৃণমূল বিরোধী আসনে বসবে। একই সঙ্গে তিনি ‘বদলের পর বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।
শুধু তৃণমূল নয়, প্রশাসনের বিরুদ্ধেও কড়া মন্তব্য করেন শুভেন্দু। মালদহের মহকুমা শাসক (এসডিও)-কে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “নামটা লেখা থাকল, ভোটের পর দেখা হবে।” প্রথমে সভার অনুমতি না মেলায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
এদিনের সভায় মালদহ উত্তর লোকসভার সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর হামলার প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ত্রাণ দিতে গিয়ে খগেন মুর্মু আক্রান্ত হয়েছিলেন, রক্ত দেখেছিলেন। বদলা যদি চান, তাহলে বদল আনতে হবে।” এই বক্তব্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আরও তীব্র সুর শোনা যায়।
উল্লেখ্য, নিরাপত্তাজনিত কারণে পুলিশ প্রথমে এই সভার অনুমতি দেয়নি। এরপর বিজেপি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। আদালত শর্তসাপেক্ষে সভার অনুমতি দেয় এবং দুপুর ৩টার মধ্যে সভা শেষ করার নির্দেশ দেয়।
শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “লোকসভা ও বিধানসভার ফলাফলের মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে। শুভেন্দুবাবু পুলিশের অনুমতি ছাড়া আসানসোলে সভা করেছিলেন, যার জেরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ অনুমতি না দিলে তার পিছনে অবশ্যই কারণ থাকে।”
সব মিলিয়ে, নতুন বছরের দ্বিতীয় দিন থেকেই মালদহের রাজনৈতিক ময়দান ঘিরে তীব্র বাক্যযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
❤ Support Us






