Advertisement
  • এই মুহূর্তে বৈষয়িক
  • জুলাই ১১, ২০২৩

আই-ফোন তৈরির দায়িত্বে এবার টাটা। জোরালো হচ্ছে সম্ভাবনা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আই-ফোন তৈরির দায়িত্বে এবার টাটা। জোরালো হচ্ছে সম্ভাবনা

স্মার্টফোনের জগতে আই ফোনের জনপ্রিয়তা রীতিমতো ঈর্ষণীয়। এবার সেই ফোনই তৈরি করবে টাটা। প্রথম কোনো ভারতীয় কোম্পানি হিসেবে আইফোন তৈরির সঙ্গে যুক্ত হবে ঐতিহ্যমণ্ডিত শিল্প সংস্থাটি। যতদূর জানা যাচ্ছে আগামী মাসেই এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। মূলত যন্ত্রাংশ আসেম্বলিং করার দায়িত্ব গ্রহণ করবে সংস্থা। দেশের মাটিতেই তখন তৈরি হবে বহুল চর্চিত ফোনটি।

টাটা দেশের সর্ববৃহৎ শিল্পপতি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অন্যতম। মানুষের জীবনে নিত্য ব্যবহার্য বহু পণ্যের প্রস্তুতকারক হল এই কোম্পানি। এক সময় সংস্থার টাটা ইণ্ডিকম  ফোনটি বাজারে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়েছিল। এবার নতুন চমক নিয়ে হাজির রতন টাটার সংস্থা। স্টিভ জোবসের অ্যাপল কোম্পানির যে আই ফোন টেলি যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে, তার নির্মাণের সঙ্গে এবার জুড়তে চলেছে টাটার নাম। সংস্থা সূত্রে জানা গেছে,অ্যাপলের বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহকারী সংস্থা উইসট্রন কর্প বেশি অর্থঅধিগ্রহণ করবে টাটারা। এতে মোট খরচ হবে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে, কর্ণাটকের দক্ষিণ অংশের সংস্থার যে কারখানা রয়েছে তাঁর মালিকানা পাবে ভারতের অন্যতম সুবৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠী। দীর্ঘ এক বছর ধরেই এ ব্যাপারে কথাবার্তা চলছিল। অবশেষে তা বাস্তবে রূপ পাবে। তবে, এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলছে না টাটা গ্রুপ, অ্যাপল ইঙ্ক ও উইসট্রন কর্প। কিছুদিন পরে প্রকাশ্যে সরাসরি এ নিয়ে ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সংস্থার খবর,  উইস্ট্রন ভারতে আইফোন ব্যবসা থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে। তবে আগে উইস্ট্রন  ২০২৪৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত কারখানা থেকে কমপক্ষে  ১.৮  বিলিয়ন ডলার মূল্যের আইফোন তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এছাড়া আগামী বছরের মধ্যে প্ল্যান্টের কর্মী সংখ্যা তিনগুণ করার পরিকল্পনাও ছিল।  বলা দরকার এখানে ১০ হাজার কর্মী নিযুক্ত। সরকারের পক্ষ থেকে যে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, সেটা পাওয়ার জন্যই এই লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল উইসট্রন।   জানা যাচ্ছে,  হস্তান্তরের পর টাটা গ্রুপ এই কাজগুলি করতে প্রস্তুত। তবে , এব্যাপারে কোনো সংস্থাই স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি।

ঘটনা  সত্যি হলে শীঘ্রই  নিজের দেশে  তৈরি  আইফোন পেতে চলেছে দেশবাসী।  এতে  বহুমূল্যবান ফোনের দাম ক্রমবর্ধমান হারে  কমার সম্ভাবনা রয়েছে।  বিশেষ সূত্রে জানা গেছে,   আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আই ফোন -১৫সিরিজের দুটি যে নতুন স্মার্টফোন  বাজারে আসতে চলেছে। সেক্ষেত্রে তা কতটা   কম দামে মিলবে সে ব্যাপারে ব্যবহারকারীদের মধ্যে আগ্রহ থাকছেই।  সবথেকে বড়ো সুবিধার দিক হল,  দেশে তৈরি হলে ফোনের  ডেলিভারি দ্রুত হবে। আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স দিতে হবে না, তাই দামে ছাড় পাওয়া যেতে পারে।আবার জনবহুল  দেশের চাহিদার কথা মাথায় থাকার কারনে  উৎপাদন  বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 


  • Tags:
❤ Support Us
ভেসে যায় নধরের ভেলা, ভেসে যায় বেহুলা পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
ঈশানবঙ্গের শক্তি পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
error: Content is protected !!