- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২৬, ২০২৬
শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি, জল্পনায় নতুন মোড় ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট ?
তৃণমূলে ‘আনুগত্যের পুরস্কার’ পাওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে। সেই জল্পনায় আরও ঘি পড়ল মঙ্গলবার। তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর এ বার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত দেখা গেল তাঁকে। শুধু কাকলি নন, উত্তর ২৪ পরগনার দুই তৃণমূল বিধায়কও ওই বৈঠকে যোগ দেন।
মঙ্গলবার কল্যাণীর এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন বারাসতের প্রবীণ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পাশাপাশি দেখা যায় দেগঙ্গার সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশকেও। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নতুন করে তৃণমূলত্যাগের জল্পনা তীব্র হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
যদিও সরকার গঠনের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন যে প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই কাকলি ও বিদেশকে বৈঠকে ডাকা হয়েছিল বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর। আমন্ত্রণ পেয়েই তাঁরা বৈঠকে যোগ দেন।
তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তাঁকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে সেই দায়িত্ব ফের তুলে দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন কাকলি। তারপর রবিবার বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দেন তিনি। ফলে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতিকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কাকলির সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “প্রশাসন সবার।” অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক বিদেশের উপস্থিতিও প্রশাসনের একাংশকে বিস্মিত করেছে বলে সূত্রের খবর।
বিরোধী ও শাসক শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের এক মঞ্চে এনে প্রশাসনিক সমন্বয়ের এই বার্তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন কোনও ইঙ্গিত দেয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের
❤ Support Us







