Advertisement
  • দে । শ
  • জানুয়ারি ১, ২০২৬

পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে অতিরিক্ত কর লাগু তামাকজাত পণ্যে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে অতিরিক্ত কর লাগু তামাকজাত পণ্যে

১ ফেব্রুয়ারি থেকে সিগারেট, বিড়ি, পানমশলা-সহ বিভিন্ন তামাকজাত ও নেশাজাত পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার আবগারি শুল্ক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এই ‘সিন গুডস’-এর উপর জিএসটি ও সেস মিলিয়ে করের বোঝা বাড়ছে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে জিএসটি চালু হওয়ার পর এই প্রথম কেন্দ্রীয় আবগারি আইন এবং কেন্দ্রীয় আবগারি (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর মাধ্যমে কর পরিকাঠামোয় এত বড় পরিবর্তন আনা হল। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পানমশলা, সিগারেট, তামাক ও অনুরূপ পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ জিএসটি ধার্য হবে। অন্যদিকে, বিড়ির ক্ষেত্রে জিএসটি হার থাকবে ১৮ শতাংশ।

এর পাশাপাশি পানমশলার উপর স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা কর আরোপ করা হবে। তামাক ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে লাগু হবে অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক। বুধবার অর্থ মন্ত্রক তামাক, জর্দা সুগন্ধযুক্ত তামাক ও গুটখা প্যাকিং সংক্রান্ত ‘ক্ষমতা নির্ধারণ ও শুল্ক আদায় বিধিমালা, ২০২৬’-এর নিয়মও প্রকাশ করেছে।

নতুন কর ব্যবস্থায় সিগারেটের দৈর্ঘ্য এবং সেটি ফিল্টার্ড কি না, তার উপর ভিত্তি করে প্রতি ১,০০০টি সিগারেটের জন্য অতিরিক্ত ২,০৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮,৫০০ টাকা পর্যন্ত কর ধার্য হবে। এই অতিরিক্ত কর কার্যকর হবে ৪০ শতাংশ জিএসটির উপর। ফলে সিগারেটের উপর মোট করের বোঝা অনেকটাই বাড়বে।

যদিও সিগারেট প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি এখনও নতুন দাম ঘোষণা করেনি, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতি প্যাকেটে সিগারেটের দাম ৭ থেকে ১১ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এছাড়া তামাকজাত পণ্যের উপর আগে যে ২৮ শতাংশ জিএসটি স্ল্যাব ছিল, তা তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন পণ্যের ধরন অনুযায়ী ১৮ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত জিএসটি আরোপ করা হবে। এর ফলে ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত পণ্য যেমন চিবানো তামাক, জর্দা সুগন্ধযুক্ত তামাক ও গুটখার দামও বাড়বে।

নতুন প্যাকিং মেশিন বিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী, ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত পণ্যের উপর মেশিন-ক্ষমতা-ভিত্তিক আবগারি ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এই কর নির্ধারিত হবে ব্যবহৃত মেশিনের সংখ্যা, তাদের উৎপাদন ক্ষমতা ও গতি, উৎপাদনের পরিমাণ এবং পণ্যের খুচরা বিক্রয় মূল্যের উপর ভিত্তি করে।

তামাকজাত পণ্য থেকে রাজস্বের প্রায় তিন শতাংশ আয় করে ভারত । বিশ্বের বহু দেশে জনকল্যানমূলক কাজে এই অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থ ব্যয় করা হয় । এবার ভারতেও তামাকজাত পণ্যে সর্বোচ্চ জিএসটি আদায় করা হবে । খরচ বাড়বে উপভোক্তাদেরও ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!