- এই মুহূর্তে ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
- ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
প্রয়াত কৌতুকশিল্পী উত্তম দাস, শোকজ্ঞাপন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের
বাংলা কৌতুক জগতের সুপরিচিত নাম, মঞ্চ-উপস্থাপক ও স্ট্যান্ড-আপ কমেডির কিংবদন্তি উত্তম দাস প্রয়াত হয়েছেন। আশির দশকের টেপ-রেকর্ডারের যুগে মঞ্চ মাতানোর জন্য যিনি দর্শক হৃদয় জয় করতেন, আজ বাংলা বিনোদন জগতে তাঁর চলে যাওয়া শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। কৌতুকশিল্পী হিসেবে যেমন তিনি দর্শকদের হাসি ছড়িয়ে দিতেন, উপস্থাপক হিসেবেও ছিলেন সমান জনপ্রিয়।
উত্তম দাসের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘উত্তম দাস ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি মঞ্চে উঠলেই যেন জাদু সৃষ্টি করতেন। সত্যিই এক অনন্য প্রতিভা। আমরা তাঁর কাজ ও স্মৃতি চিরকাল হৃদয়ে রাখব।’ সঙ্গীতশিল্পী জোজোও শোক প্রকাশ করেছেন।
উত্তম দাস ছিলেন নিখাদ হাস্যরসের প্রতীক। মঞ্চে উঠলেই দর্শককে চোখ ফেরানোর সুযোগ তিনি দিতেন না। তাঁর কণ্ঠ, বাচনভঙ্গি এবং উপস্থাপনা দর্শককে মুহূর্তের মধ্যে মুগ্ধ করত। বাংলার গ্রাম-শহরতলির জলসা—বিশেষ করে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানগুলো তাঁকে ছাড়া ছিল অসম্পূর্ণ। টেপ-রেকর্ডারের যুগে অডিও ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে হাসি পৌঁছে দিতেন। ‘হাসির মালপোয়া’ এবং ‘হাসির হেডলাইট’ আজও সে সময়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।
খড়দহের নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে নিজস্ব প্রতিভা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলা বিনোদনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। শিল্পী মহলের মতে, উত্তম দাসের চলে যাওয়া বাংলা মঞ্চ-সংস্কৃতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। কয়েক দশক ধরে বাংলা কৌতুকজগতকে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। সমাজের ব্যঙ্গচিত্র, দৈনন্দিন জীবনের হাসি-কান্না, সাধারণ মানুষের অনুভূতি, এ সবকিছুই ছিল তাঁর শিল্পের মূল উপজীব্য। প্রজন্ম বদলেও তাঁর জনপ্রিয়তা অক্ষুণ্ণ ছিল।
❤ Support Us







