- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২৭, ২০২৬
জনগণনা দ্রুত এগিয়ে নিতে শুক্রবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, আধিকারিক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি
পশ্চিমবঙ্গে থমকে থাকা জনগণনা প্রক্রিয়াকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্রিয় হয়েছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কাজের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আগামী শুক্রবার (২৯ মে) নবান্ন সভাঘরে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই জনগণনার কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এবার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই জনগণনার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের দায়িত্ব বণ্টন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। জেলা পর্যায়ে ডিভিশনাল কমিশনার, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও এবং জয়েন্ট বিডিওদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই কাজে। একইভাবে শহর ও পুরসভা এলাকায় কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার, পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার ও সমমর্যাদার আধিকারিকদেরও জনগণনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্র আরও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চলতি বছরে দেশজুড়ে জনগণনা প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন রাজ্যে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ চলছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে কার্যত স্থগিত ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, আগের সময়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয়ের অভাবের কারণে জনগণনা সংক্রান্ত কাজ এগোয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। তবে বর্তমান সরকার প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
জনগণনার তথ্য প্রশাসনিক পরিকল্পনা, উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সরকারি পরিষেবা বণ্টনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত ও নির্ভুলভাবে এই কাজ সম্পন্ন করার উপর জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার।
প্রশাসনিক মহলের মতে, জনগণনার মূল কাজ সাধারণত তৃণমূল স্তরের কর্মচারীদের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। অতীতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) চলাকালীন যে ভাবে বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) কাজে লাগানো হয়েছিল, এবারও বিভিন্ন দফতরের কর্মীদের জনগণনার কাজে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
নবান্নে অনুষ্ঠিত হতে চলা বৈঠকে জনগণনার প্রস্তুতি, কর্মী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচিত হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহের বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
❤ Support Us



