- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ১১, ২০২২
প্রতি বছর দুবার করে নিয়োগ করা হবে প্রাথমিকে । আশ্বাস পর্ষদ সভাপতির
আগামী ২ বছরের মধ্যে টেট উত্তীর্ণ সমস্ত যোগ্য দাবিদারকে চাকরি দেওয়া হবে । প্রকাশ করা হবে স্পষ্ট মেধা তালিকাও। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানালেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল ।
পর্ষদ সভাপতি বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে পর্ষদ । প্রতিবছর অন্তত দুবার টেট হবে । বোর্ড বিধি মেনে নিয়োগ করবে । পাশাপাশি তিনি এ-ও জানিয়েছেন, টেট পাশ করলেই চাকরি নয় । টেট একটি যোগ্যতামান নির্ণায়ক পরীক্ষা মাত্র । বোর্ড বিধি মেনে নিয়োগ করবে । এই বছর ইন্টারভিউয়ের ৩ মাসের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করা হবে । প্রতি বছর দুবার করে নিয়োগ করা হবে প্রাথমিকে ।
টেট প্রার্থীরা চাকরির দাবিতে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন । সে প্রসঙ্গে পর্ষদের নতুন সভাপতি গৌতম পাল বলেছেন, নিয়োগ নীতি অনুযায়ী সকলকে চাকরি দেওয়া যাবে না । ২০১৪ সালে পাশ করা যে প্রার্থীরা আন্দোলন করছেন, তাঁদের মধ্যে ষোলো হাজার একশো একাশি জনের নাম প্যানেলে নেই । নিয়োগ নীতিতে বলা হয়েছে, যাঁরা টেট পাশ করবেন এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, এক মাত্র তাঁরাই আবেদন করতে পারবেন । তাই সকলকে চাকরি দেওয়া যাবে না। আইন মেনেই নিয়োগ হবে । পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ‘যাঁরা ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে টেট পাশ করেছেন, তাঁরা আবেদন করুন । তাঁদের এই বছরের মধ্যে নিয়োগ করার ব্যবস্থা হবে । আগামী ২ বছরের মধ্যে কোনও টেট পাশ করা প্রার্থী বসে থাকবেন না ।
মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে টেট দুর্নীতির প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি বলেন, এক বার দুর্নীতি হয়েছে বলে আর ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবেন না, এমনটা যেন না হয় । তাঁর আমলে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তিনি তদন্তে সব রকম সহায়তা করবেন ।
২০১৪ সাল থেকে টেটের পরিসংখ্যানও তুলে বলেছেন, ওই বছর টেট দিয়েছিলেন কুড়ি লক্ষ এক হাজার তিনশো এক জন । পাশ করেছিলেন এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নশো বাহান্ন জন । নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন এক লক্ষ আঠারো হাজার আটশো একুশ জন । প্যানেলে নাম ওঠে বিয়াল্লিশ হাজার ছশো সাতাশ জনের ।
২০১৭ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলেন এক লক্ষ উননব্বই হাজার পাঁচশো চোদ্দ জন । পাশ করেছিলেন নহাজার আটশো ছিয়ানব্বই । ২০২০-২১ সালে শূন্যপদ ছিল ষোলো হাজার পাঁচশো । নিয়োগের আবেদন করেছিলেন উনত্রিশ হাজার ছশো পঁয়ষট্টি জন । প্যানেলে নাম ওঠে তেরো হাজার ছশো পঁচাশি জনের । চাকরি পেয়েছেন তেরো হাজার পাঁচশো চৌষট্টি জন ।
❤ Support Us







