- দে । শ
- মে ২৯, ২০২৩
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আর্জি, ফাঁসি হোক ইয়াসিনের। জেকেএলএফ নেতাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিল দিল্লি হাইকোর্ট
জঙ্গিদের আর্থিক মদত দেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত ইয়াসিন মালিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আর্জি জানাল এনআইএ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ১৯৯০ সালে কাশ্মীরের পণ্ডিতদের বিতাড়ন থেকে শুরু করে যাবতীয় ভারত বিরোধী নাশকতামূলক কার্যকলাপে যুক্ত জেকেএল এফ নেতা। তাই অবিলম্বে তাঁর ফাঁসি হওয়া উচিত। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারক অবশ্য তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছেন।
ইয়াসিনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলার মধ্যে দুটিতে যাবজ্জীবন ও বাকি পাঁচটিতে দশ বছরের কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লির উচ্চতর কোর্টে তাকে ফাঁসি দেওয়ার আবেদন করেছে এনআইএ। সোমবার আদালতে শুনানি চলাকালে ইয়াসিন অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি পুরো বিষয়টিকে বিচার বিভাগের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। আলাদা করে আর শাস্তি মকুবের আবেদন করার কিছু নেই। এখানে বলা প্রয়োজন, নিম্ন আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে যখন ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়, তখনও তিনি বিরোধিতা করেননি। তার একটাই বক্তব্য, ১৯৯৪ সালের পর তিনি কখনো কোনো নাশকতামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন না। ভারতের সাতজন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলাপ পরিচয় হয়েছে। বাজপেয়ী জমানায় পেয়েছিলেন বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি। জঙ্গিকার্যকলাপে যুক্ত থাকলে এসব সম্ভব হত না বলে মনে করেন তিনি। ভারতীয় গোয়েন্দাদের তাঁর চ্যালেঞ্জ, যদি তাঁরা প্রমান করতে পারে যে তিনি নাশকতামুলক কাজের সঙ্গে গত ২৮ বছরে একবারও যুক্ত হয়েছেন, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। ‘হাসতে হাসতে ফাঁসির দড়ি গলায় পরে নেব।’ স্পষ্ট জবাব ইয়াসিনের।
ইয়াসিনের মুক্তি চাইছে উপত্যকার একাধিক রাজনৈতিক দল। পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি বলেছেন , দেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর হত্যায় মৃত্যদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা ছাড়া পেতে পারলে ইয়াসিন মালিককে কেন জেলে আটকে রাখা হবে? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গত বছর রাজীবের হত্যাকারী হিসাবে সাজাপ্রাপ্ত সব আসামিই এখন জেলের বাইরে। জেকেএলএফ নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আর এক কাশ্মীরি নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সাজ্জাদ লোন।মুখ খুলেছে ন্যাশনাল কনফারেন্স-সহ বেশ কয়েকটি ছোট দলও এ নিয়ে সরব হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরের এককালের জনপ্রিয় নেতাকে নিয়ে সেখানকার রাজনীতিবিদরা আচমকা উৎসাহী কেন ? প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে।
❤ Support Us





