- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ৪, ২০২৩
গুয়াহাটি আইআইটির সমাবর্তন অনুষ্ঠান থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল উপরাষ্ট্রপতির। যত দ্রুত সম্ভব চালু করতে হবে আইন, মত ধনখড়ের
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিতর্কে এবার মুখ খুললেন জগদীপ ধনকড়। সরাসরি দেশের শাসক দলের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেছেন, বর্তমানে সময় এসেছে সংবিধানের নির্দেশমূলক নীতির ৪৪ নং ধারাকে বাস্তবে প্রয়োগ করার। নাহলে আগামী দিনে দেশের জাতীয় মূল্যবোধ ভেঙে পড়বে। যদিও বাস্তবে তা কীভাবে সম্ভব তাঁর অবশ্য ব্যাখ্যা দেননি পশ্চিম বাংলার পূর্বতন সাংবিধানিক প্রধান।
গুয়াহাটি আইআইটির ২৫ তম সমাবর্তন উৎসবে সোমবার উপস্থিত হয়েছিলেন ভারতের বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি। মঞ্চে উপবিষ্ট অধ্যাপক ও অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিদের সামনে তিনি সংবিধানের নির্দেশমূলক নীতির গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশ শাসনের ক্ষেত্রে এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ইতিপূর্বে পঞ্চায়েত, সমবায় ও শিক্ষার অধিকারের যে কথা বলা হয়েছে তার বাস্তবায়ন হয়েছে সংবিধানের চতুর্থ অধ্যায়ে উল্লিখিত ধারা মেনে। তাহলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির ক্ষেত্রে অসুবিধা কোথায়?
ভারত বৈচিত্র্যময় দেশ । প্রত্যকে সম্প্রদায়, জাতি ও ভাষাগত গোষ্ঠীর কিছু নিজস্ব রীতিনীতি ও প্রথা রয়েছে। সে সবকে উপেক্ষা করে জোর করে কোনো আইন চাপিয়ে দেওয়া হলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। নির্বাচিত সরকার কে সে দিকটা মাথায় রেখে চলতেই হয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি যে কোনো আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। তবে তার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘকালীন প্রস্তুতি ও বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি। তা বাদ দিয়ে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না গ্রহণ করাই যুক্তিসঙ্গত। সম্প্রতি, এ নিয়ে দেশে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যার সমাধান হয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটের জোরে মিলবে। সরেজমিনে সমীক্ষা চালিয়ে নয়।
❤ Support Us







