Advertisement
  • এই মুহূর্তে স | হ | জ | পা | ঠ
  • জুলাই ৭, ২০২৩

চাঁদের পাথর নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যে এগোচ্ছে ইসরো। ১৪ জুলাই শুরু হবে তৃতীয় পর্বের চন্দ্রযাত্রা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চাঁদের পাথর নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যে এগোচ্ছে ইসরো। ১৪ জুলাই শুরু হবে তৃতীয় পর্বের চন্দ্রযাত্রা

চাঁদের মাটিতে আবার পা রাখতে চায় ভারত। প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। আগামী ১৪ তারিখ দুপুর ২ টো ৩৫ নাগাদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের উদ্দেশে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৩। এবারের অভিযানের অন্যতম আকর্ষণ হল সেখানে পাথুরে অঞ্চলগুলোতে শিলাগুলোতে লেসার গানের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো। উদ্দেশ্য, চাঁদের ধুলোকে পরীক্ষা করে তাঁর রাসায়নিক গঠন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা। এক্ষেত্রে মহাকাশযানটির অন্তর্গত লুনার রোভারকে ব্যবহার করা হবে। প্রায় ১৪ দিনের অভিযানে এরকম আরো অনেক পরিকল্পনায়ই রয়েছে ইসরোর। জানালেন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার চেয়ারম্যান ডক্টর এস সোমনাথ।

তিনি আরো জানান, ২৩ অথবা ২৪ অগাস্ট চাঁদের মাটিতে নিরাপদে চন্দ্রযানটিকে অবতরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইসরোর লক্ষ্য অবশ্যই সফট ল্যান্ডিং। তবে এক্ষেত্রে সূর্যালোকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যে সৌর প্যানেল গুলো আছে তা সূর্যরশ্মি না পেলে উদ্দীপ্ত হবে না । আর তা হলে যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা মূলক কাজ গুলো করতে চান তা করা সম্ভব হবে না। তাঁর মতে, সবকিছু ঠিকঠাক চললে, মহাকাশ গবেষণার আরেকটি বড় সাফল্যর মুখ দেখতে পাবে ভারত।

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্রযান-২-এর পথ ধরেই এগোবে চন্দ্রযান-৩। কারণ ওই পথ  চেনা। তবে সমস্যা যদি দেখা দেয়  পরিকল্পনায় বদল আনা হতে পারে। মহাকাশযানে রয়েছে একটি ল্যান্ডাল, প্রোপালশন মডিউল, রোভারও। চাঁদের মাটিতে সফট ল্যাণ্ড করার পর  ল্যান্ডারটি থেকে বিচ্ছিন্ন হবে রোভার।সেটিকে ছেড়ে দেওয়া হবে চন্দ্রপৃষ্ঠে।তারপর সেখানে চলবে রাসায়নিক পরীক্ষানিরীক্ষা ।

চন্দ্রযান -৩-এর মোট ওজন ৩ হাজার ৯০০ কেজি। যা আগেরটির থেকে অন্তত ৩০০ কেজি বেশি।প্রোপালশান মডিউলটির ওজন ২ হাজার ১৪৮ কেজি।এটি ল্যান্ডার এবং রোভারকে ১০০ কিমি চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে।রোভারটির ওজন ২৬ কেজি।সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে চন্দ্রযান-৩-এ থাকা ল্যান্ডার মডিউলটি।

চার বছর আগে চন্দ্রাযান ২ পাঠিয়েছিল ইসরো। অটোমেটিক সফট ল্যান্ডিং করার কথা ছিল ল্যান্ডার বিক্রমের। কিন্তু তার মাত্র ২কিমি আগেই বিক্রম ল্যাণ্ডারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। নষ্ট হয়ে যায় রোভারের অংশ।গতির সমস্যার জেরে সেটি চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়ে।একেবারে শেষ লগ্নে পৌঁছে এই বিপর্যয় ঘটে।তখন ঠিক মতো কাজ করেনি ল্যান্ডারটি। তাই এবারে সমস্ত রকম সতর্কতা নিয়ে নামতে চায় ইসরো।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!