Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ১০, ২০২৪

বালুরঘাটে, শাহি কন্ঠে ভিন্নতর আবদার: বঙ্গে অন্তত ৩০ আসন দরকার।অনুপ্রবেশকারীরা ভোট ব্যাঙ্ক বলেই সিএএ নিয়ে দিদির অসত্য প্রচার

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বালুরঘাটে, শাহি কন্ঠে ভিন্নতর আবদার: বঙ্গে অন্তত ৩০ আসন দরকার।অনুপ্রবেশকারীরা ভোট ব্যাঙ্ক বলেই সিএএ নিয়ে দিদির অসত্য প্রচার

অনুপ্রবেশকারীরাই দিদির ভোট ব্যাঙ্ক, কটাক্ষ শাহর। বুধবার রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের প্রচার সভায় এসে, এভাবেই সিএএ ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদের বিঁধলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী । এপ্রসঙ্গে তিনি অসমের উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেরাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসে অনুপ্রবেশ বন্ধ করেছে, লোকসভায় বাংলায় ৩০টি আসন সুনিশ্চিত হলে এখানেও সীমান্ত সুরক্ষিত হবে, একটি পাখিও প্রবেশ করতে পারবে না । পাশাপাশি সব সরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি । তিনি বলেন, কায়েমী স্বার্থেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন বিরোধীরা । বালুরঘাটের সভা থেকে শাহ বলেন, ‘ যত শরণার্থী আছেন, আবেদন করুন । মমতা দিদি বাংলার মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন । বলছেন, আবেদন করলে নাগরিকত্বই চলে যাবে । এটা মোদি সরকারের আইন । মমতা যতই বিরোধিতা করুন, সব হিন্দু-শিখ শরণার্থীদের আমরা নাগরিকত্ব দেব ।’
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই রাজ্যে তাঁর প্রথম প্রচার সভায়, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে রাজ্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ভারত এগিয়ে চললেও, বাংলা এখনও পিছিয়ে । কারণ কেন্দ্রের সব সুবিধা রাজ্য সরকারের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয় না । মোদিকে জেতানোর মানে “সোনার বাংলা”র স্বপ্ন পূরণ হবেই । পাশাপাশি সন্দেশখালি এবং ভূপতিনগরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর হামলার ঘটনা ঘিরেও সরব হন তিনি । এদিনের সভায় বললেন, ‘ সন্দেশখালির মতো লজ্জাজনক ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে দিদি ! তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ধরতে গেলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর বারবার আক্রমণ করা হচ্ছে । হাইকোর্টের নির্দেশে এনআইএ তদন্ত করছে । কোনও দুষ্কৃতী ছাড় পাবে না । দোষীদের জেলে যেতেই হবে ।’

বালুরঘাটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্যে এরাজ্যে বিজেপির ৩০টি আসনের লক্ষ্য নিয়ে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে । এর আগে মোদি বারাসাতে এসে, বাংলায় ৪২ এ ৪২ আসন চাই বলে ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, এরাজ্যে বিজেপির সাম্ভাব্য আসন সংখ্যার হিসেব ক্রমশই কমছে । যদিও এপ্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক শক্তির বিচারেই ৩০টি আসনের লক্ষ্য স্থির করেছেন গেরুয়া শিবিরের চাণক্য । অন্যদিকে বিরোধীদের বক্তব্য, ২০১৯ এ ১৮টি আসনে বিজেপি প্রার্থীদের রাজ্যের মানুষ নির্বাচিত করলেও, তারা মানুষের আশা পূরণে ব্যর্থ । পাশাপাশি কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়েও গেরুয়া প্রচারে কোনোও বক্তব্য নেই । তারা শুধুই সন্দেশখালি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি পেশ করে চলেছেন, ফলে তারাও বুঝতে পারেছেন এরাজ্যে কোন ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয় ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!