Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • নভেম্বর ১৪, ২০২৪

তিলকের দুরন্ত সেঞ্চুরির ওপর ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
তিলকের দুরন্ত সেঞ্চুরির ওপর ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত

আগের ম্যাচে ইনিংসের তৃতীয় বলেই আউট হয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও সেই ব্যর্থতাই সঙ্গী। এদিন ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আউট হতেই অশনি সংকেত নেমে এসেছিল ভারতীয় শিবিরে। আবার কি আগের ম্যাচের মতো ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হবে?‌ প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছিল। রুখে দাঁড়ান তিলক ভার্মা ও অভিষেক শর্মা। এই দুই ব্যাটারের তাণ্ডবে উড়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় ম্যাচে প্রোটিয়াদের ১১ রানে হারিয়ে সিরিজে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি তিলক ভার্মার।
সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্টস পার্কে টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। দ্বিতীয় বলেই সঞ্জুকে (‌০) তুলে নেন মার্কো জানসেন। পরপর দুটি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম ভারতীয় হিসেবে নজির গড়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। এদিন শূন্য রানে আউট হওয়ার পর আরও একটা নজির গড়লেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে টি২০ ম্যাচে পরপর দু’‌ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার।
সঞ্জু শুরুতেই ফিরে যাওয়ায় আশঙ্কা হচ্ছিল আবার যে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হয় ভারতকে। রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও তিলক ভার্মা। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে প্রোটিয়া বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। শুরুর দিকে তিলকের তুলনায় অভিষেকই বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ‌২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৫০ রানেই আউট হন। মারেন ৩টি ৪, ৫টি ৬)‌। সূর্যকুমার (‌৪ বলে ১)‌, রিঙ্কু সিংরা (‌১৩ বলে ৮)‌ এদিনও রান পাননি। হার্দিক পান্ডিয়াও (‌১৬ বলে ১৮) ব্যর্থ‌। আবেশ খানের পরিবর্তে এদিন সুযোগ দেওয়া হয়েছিল রমনদীপ সিংকে। ৬ বলে ১৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৯ রান তোলে ভারত। ৫৬ বলে ১০৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিলক ভার্মা। মারেন ৮টি ৪ ও ৭টি ৬।
জয়ের জন্য ২২০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার রায়ান রিকেলটন (‌১৫ বলে ২০)‌ ও রেজা হেনড্রিকস (‌১৩ বলে ২১)। রিকেলটনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন অর্শদীপ সিং। এরপর আঘাত বরুণ চক্রবর্তীর। ফেরান হেনড্রিকসকে। ট্রিস্টান স্টাবসও (‌১২ বলে ১২) দ্রুত ফেরেন। তিনি অক্ষর প্যাটেলের শিকার। রান তোলার গতি ধরে রেখেছিলেন মার্করাম (‌১৮ বলে ২৯)‌। তাঁকে চুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলে দেন বরুণ চক্রবর্তী।
১০ ওভারে ৮৪ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর ডেভিড মিলার ও হেনরিখ ক্লাসেন দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বরুণ চক্রবর্তীর এক ওভারে ৩টি ছক্কাসহ ২৩ রান নেন ক্লাসেন। যদিও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। মিলার (‌১৮ বলে ১৮)‌ আউট হতেই দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে যায়। এরপর মিলারকে (‌১৮ বলে ১৮) ফেরান হার্দিক। ঝড় তুলে অর্শদীপের বলে ফেরেন ক্লাসেন (‌২২ বলে ৪১)। শেষদিকে জানসেন (‌১৭ বলে ৫৪)‌ ভারতীয় শিবিরের স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে দলকে জয় এনে দিতে ব্যর্থ হন। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২০৮ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকার। ভারতের হয়ে অর্শদীপ ৩৭ রানে ৩টি ও বরুণ চক্রবর্তী ৫৪ রানে ২টি উইকেট নেন।
‌


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!