Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ১১, ২০২৫

কসবা ডিআই অফিসে চাকরিহারাদের বিক্ষোভের ঘটনার তদন্তে এসআই বদল। দায়িত্ব সঞ্জয় সিংহকে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কসবা ডিআই অফিসে চাকরিহারাদের বিক্ষোভের ঘটনার তদন্তে এসআই বদল। দায়িত্ব সঞ্জয় সিংহকে

কসবা ডিআই অফিসে চাকরি প্রার্থীদের ওপর পুলিশের অতিসক্রিয়তা নিয়ে রাজ্য জুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড় । বিক্ষোভ থামাতে পুলিশের লাথি এবং লাঠির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন সমাজের বহুস্তর । সেখানে যেমন বিরোধীরাও আছেন, তেমনি রাজ্যের শাসক দলের তরফেও অনেকে বলেছেন, এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা মানবিক হওয়া উচিত ।

বুধবার ঘটনার পর, বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা বলেছিলেন, বিক্ষোভ রুখতে গিয়ে হামলার সম্মুখীন হয়েছেন তারাও । তাই বল প্রয়োগ করতে হয়, তবে যা ঘটেছে তা কাম্য নয় । লালবাজারের তরফে সেদিনের ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো ফুটেজও ছড়িয়ে দেওয়া হয় সমাজ মাধ্যমে । পুলিশের দাবি বিনা প্ররোচনায় তাদের ওপর হামলা করেছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা । অন্যদিকে চাকরি খুঁইয়ে, অনিশ্চিত ভবিষ্যত নিয়ে দিশেহারা শিক্ষদের দাবি, তাঁরা ছিলেন নিরস্ত্র । তাদের দাবি ছিল যোগ্ শিক্ষকদের সসম্মানে নিজেদের পদ ফিরে পাওয়ার । বিনিময়ে তাঁরা পেয়েছেন পুলিশের নির্মম লাঠি এবং লাথি । এনিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে আন্দোলন, পুলিশি অতিসক্রিয়াতা নিয়ে নিন্দা হয়েছে । এই সামাজিক সঙ্কটে বেড়েছে বিরোধীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপও । সেই নিয়ে শাসক এবং বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি ।

কসবার ঘটনার পর ডিআই অফিসের তরফে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল কসবা থানায় । পুলিশের তরফেও আরেকটি এফআইআর হয় । এই সংক্রান্ত তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সেদিনের ঘটনায় দায়িত্বে থাকে এসআই রিটন দাসকে । তাঁর বিরুদ্ধেই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে লাথি ও লাঠি মারার ভিডিয়ো ভাইরাল হয় সমাজ মাধ্যমে ( ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আরম্ভ ডিজিটাল) । শুক্রবার তদন্তের দায়িত্ব গেছে কসবা থানার এসআই রিটন দাসের কাছে, এই খবর সামনে আসতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে । বাড়তে থাকে সমাজের পূঞ্জিভীত ক্ষোভ । তারপরই লালবাজারের তরফে ঘোষণা করা হয়, তদন্ত করবেন কসবা থানার আরেকজন এসআই সঞ্জয় সিংহ ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!