- পা | র্স | পে | ক্টি | ভ রোব-e-বর্ণ
- জুলাই ২০, ২০২৫
‘কবন্ধেরা আসছে তেড়ে মাগো আমার মা’
আলোকচিত্র সৌজন্য: নাজমূল ।ফ্লিকার
দেশের নানা প্রান্তে, বিশেষ করে পশ্চিমে, উত্তরে, উত্তর-পূর্বের অসমে বাঙালি জনগোষ্ঠী সাংগঠনিক আর সমবেত লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে। ১৯৭৯ সালে মেঘালয়ে, ত্রিপুরায়, সর্বশেষে অসমে বাঙালি বিদ্বেষের হিড়িক দেখেছি আমরা। গণহত্যা আর গণহামলার প্রকট চেহারা দেখেছে নিস্পৃহ ইতিহাস, দেখেছে রাষ্ট্রের সরব-নীরব ভূমিকা। আবার সে কবন্ধেরা, অন্ধকারের দৈত্যরা হাঁ মুখে এগিয়ে আসছে। প্রকাশ্যে, কখনো রাষ্ট্রীয় ছদ্মবেশ ধারণ করে। ওড়িষা আর গো-বলয়ে বাংলায় কথা বলার জন্য স্বীকৃত ভারতীয় নাগরিকদের সত্তা আর অস্তিত্বে, যে-ভাবে বাংলাদেশি তকমা সেঁটে দিচ্ছে আরোপিত বিভ্রান্তি, তা ভারতাত্মাকে, ভারতীয়তাকে নৃশংস কৌশলে ক্রমাগত হেয় করছে। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রের ভূমিকা কী? তাৎক্ষনিক নিরবতার, না মুচকিমুখো প্রশ্রয়ের – এ প্রশ্নের জবাব দিক রাষ্ট্র, কুলুপ সরিয়ে সরব হোক সরকার ও প্রশাসন।
আমরা ব্যথিত। আমরা উদ্বিগ্ন। মনে হয় আরো এক দুঃসময়ের প্রায় মুখোমুখিই দাঁড়িয়ে আছে আমাদের মাতৃভূমি। চাই সদর্থক নেতৃত্ব, চাই রাহুর আগ্রাসন থেকে উজ্জ্বলতার উদ্ধার। রাস্তায় নেমেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, প্রতিবাদে জড়ো হয়েছেন বামপন্থীরা, কংগ্রেস কী করবে, বলা কঠিন। আমাদের মনে হয়, দেশজুড়ে শুরু হোক নির্বিশেষের সজল আর তীক্ষ্ণ প্রতিবাদ, প্রার্থনা। ভস্ম হোক কবন্ধ দেহ, কবন্ধের জাতিবিদ্বেষ।
২০.০৭.২০২৫
♦•♦–♦•♦♦•♦–♦•♦
❤ Support Us








