Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগ সিআরপিএফের। সময় নিয়ে প্রশ্ন কংগ্রেসের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগ সিআরপিএফের। সময় নিয়ে প্রশ্ন কংগ্রেসের

রাহুল গান্ধীর উপর নজরদারি কি আরো আঁটসাঁট করা হতে চলেছে? অন্তত তেমনই ইঙ্গিত মিলল সিআরপিএফ-এর ভিআইপি সিকিউরিটি উইং-এর পাঠানো এক চিঠিতে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে একাধিক বার নিরাপত্তা প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগ তুলেছে বাহিনী। যদিও কংগ্রেসের পাল্টা প্রশ্ন, এই চিঠি এখন কেন? বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলার ঠিক পরপরই কেন এই ‘রুটিন চিঠি’ হঠাৎ জনসমক্ষে?

সূত্রের খবর, বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে পাঠানো চিঠিতে সিআরপিএফ জানিয়েছে, রাহুল একাধিক বার নিরাপত্তা বিধি না মেনেই সফরে বেরিয়েছেন। দেশীয় সফরের পাশাপাশি, বিদেশ যাত্রার তথ্যও সময়মতো দেয়নি গান্ধী পরিবারপুত্র, এমনটাই দাবি বাহিনীর। বর্তমানে রাহুলের নিরাপত্তায় রয়েছে ‘জ়েড প্লাস এএসএল’ বন্দোবস্ত। যার আওতায় তাঁকে সর্বক্ষণ ঘিরে থাকেন ১০-১২ জন সশস্ত্র কমান্ডো। সফরের আগে গন্তব্যস্থলের প্রাথমিক নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার ব্যবস্থাও থাকে। সিআরপিএফ-এর দাবি, এ সবের কোনও কিছুই মেনে চলেন না রাহুল।

সিআরপিএফ-এর চিঠির বক্তব্য, ২০২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাহুলের বিরুদ্ধে মোট ১১৩টি প্রোটোকল লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এমনকি কংগ্রেসের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’-র দিল্লি পর্যায়েও নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলে দাবি বাহিনীর। বিহার বিধানসভার আগে যখন মাঠে-ময়দানে ছুটে বেড়াচ্ছেন রাহুল, ঠিক সে সময়ে এ চিঠির উদ্দেশ্য নিয়ে স্পষ্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। রাজনৈতিক গন্ধও পাচ্ছেন তাঁরা। দলের মুখপাত্র পবন খেরা বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘এই চিঠি এবং তার সঙ্গে সঙ্গে তার তড়িঘড়ি প্রচার, যথেষ্ট সন্দেহজনক। যখন রাহুল গান্ধী ভোট চুরির বিষয়ে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক তথ্য প্রকাশ করছেন, তখনই কেন এই চিঠি বাইরে এল কেন?’ তাঁর কটাক্ষ, ‘এটা কি বিরোধী নেতাকে ভয় দেখানোর একটা প্রচ্ছন্ন চেষ্টা? আর কতটা অস্বস্তিতে রয়েছে মোদী সরকার যে, বিরোধী দলনেতার ঘোষিত ‘হাইড্রোজেন বোমা’ সামনে আসার আগেই এ ভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হচ্ছে?’

প্রসঙ্গত, গত ৭ আগস্ট রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, বেঙ্গালুরুর মহাদেবপুরা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় ১ লক্ষেরও বেশি ভুয়ো বা অস্বচ্ছ নাম রয়েছে। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই জালিয়াতিতে মদত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও ১৪ অগস্ট কমিশন রাহুলের অভিযোগকে ‘মিথ্যে ও বিভ্রান্তিকর’ বলে খারিজ করে দেয়। এরপর, গত ১ সেপ্টেম্বর রাহুল ঘোষণা করেন, তাঁর দল শীঘ্রই ভোট জালিয়াতির সমস্ত প্রমাণ জনসমক্ষে আনবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এমনকিছু তথ্য প্রকাশ করব, যার পরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশবাসীর মুখোমুখি হতে পারবেন না।’ তার ঠিক পরে রাহুলের ‘নিরাপত্তা লঙ্ঘন’ নিয়ে সরকারি নিরাপত্তা সংস্থার এহেন সতর্কবার্তা, রাজনৈতিক মহলে জল্পনার পারদ চড়িয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!