- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২, ২০২৬
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচন: কড়া নিরাপত্তায় চলছে ভোটগ্রহণ
দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই বিধানসভা কেন্দ্র—মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ড হারবারে মোট ১৫টি বুথে শনিবার পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে মগরাহাট পশ্চিমে ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারে ৪টি বুথে সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যে ভোটপর্ব চলছে এবং প্রথম প্রায় দেড় ঘণ্টায় কোনও অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোটে তেমন কোনও অভিযোগ না উঠলেও, দ্বিতীয় দফার ভোট শেষে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠে, যার সবকটিই দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি ৩২টি অভিযোগ জমা পড়ে ফলতা থেকে। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারে ২৯টি, মগরাহাটে ১৩টি এবং বজবজে ৩টি অভিযোগ দায়ের হয়।
অভিযোগগুলির মধ্যে ছিল ইভিএমে টেপ লাগিয়ে দেওয়া, ইভিএমে আতর প্রয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা ঢেকে দেওয়া—এরকম একাধিক গুরুতর বিষয়। এমনকি ভোটারদের জামার পকেটে স্পাই ক্যামেরা ঢুকিয়ে তাদের ভোটের পছন্দ নজরদারির অভিযোগও ওঠে, যা বিশেষভাবে মগরাহাট পশ্চিমের ডায়মন্ড হারবার এলাকা থেকে জানানো হয়।
এই অভিযোগগুলির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপ নেয়। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলগুলি পরিদর্শন করে রিপোর্ট জমা দেন। তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কমিশন মগরাহাটের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয়। ফলতায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন উত্তরপ্রদেশের ‘সিংঘম’ নামে পরিচিত এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক দক্ষিণ ২৪ পরগনায় টহল দেওয়ার পরও কেন পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
❤ Support Us






