Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুন ১৫, ২০২৬

শুভেন্দুর আহ্বানে পুরসভায় মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী ! বললেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের ডেকেছেন, ভালো লাগছে’

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
শুভেন্দুর আহ্বানে পুরসভায় মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী ! বললেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের ডেকেছেন, ভালো লাগছে’

“…পাল্টায় মত পাল্টায় বিশ্বাস, স্লোগান পাল্টে হয়ে যায় ফিসফাস..” কবীর সুমনের এই গানটা এখন খুব প্রাসঙ্গিক লাগে। একটা সরকার বদলের পর মানুষ কত ভাবে পাল্টে যেতে পারে তা গত ৪ মে, ২০২৬-এর পর বাংলা তো বটেই , সারা দেশ দেখছে।  বদলের বাংলায় কাজের স্বার্থে রাজনৈতিক এখন শাসক-বিরোধী ভেদাভেদ নেই বললেই চলে ! আর তাই বোধহয় কলকাতা পুরসভায় মু্খ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অনুষ্ঠানে হাজির হলেন স্বয়ং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘরের লোক’ তথা তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে একেবারে সামনের সারিতেই দেখা গেল তাঁকে, তিনি মমতার ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কাজরী বললেন, ‘‘কাউন্সিলর হিসেবে যেটুকু সময়ে মেয়াদ বাকি আছে, সেই সময়টায় কাজ যাতে ভালোভাবে হয়, তার জন্য আমাদের ডাকা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের ডেকেছেন, ভালো লাগছে।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘনঘন তদন্তকারীদের ডাক সংক্রান্ত প্রশ্নে কাজরী একগাল হেসে বললেন, ‘‘এনিয়ে আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।”

শুধু কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর প্রথম অনুষ্ঠানে হাজির তৃণমূলের অন্যান্য কাউন্সিলররাও। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীম বসু, জুঁই বিশ্বাসরা। সকলেরই এক বক্তব্য। পুরসভায় নাগরিক পরিষেবার স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা, পরিকল্পনা জানতে এবং কাজ নিয়ে আলোচনার জন্যই তাঁর ডাকে আজকের এই অনুষ্ঠানে আসা। এর মধ্যে রাজনীতির কিছু নেই। ৪ মে-র পরে তৃণমূলের সেই সোম নেতানেত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের দায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে তাঁদের আচরণ দেখে। তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতনের আগে যাঁরা দায়িত্ব সম্পর্কে ততোটা অবগত ছিলেন না বললেও অত্যুক্তি হয় না, তাঁরা এখন নিজেদের দায়িত্বশীল প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগে পড়েছেন। আর তাই মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক যে কোনও কাজে ডাকলেই তাঁরা একডাকে হাজির হচ্ছেন। বিষয়টা এমনই মানুষের কাজ করাটাই তাঁদের মূল এবং প্রথম লক্ষ্য। অথচ নির্বাচনের আগে বিজেপির তরফে তৃণমূলের বিরুদ্ধে যাবতীয় দুর্নীতির বিষয় তুলে প্রচার করে ভোট হয়েছে। সেই ভোটে জিতেই শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীত্ব খুঁইয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার পর থেকেই তৃণমূলের কাউন্সিলর থেকে শুরু করে বিধায়ক, সাংসদরা কাজ পাগল হয়ে পড়েছেন। বিষয়টা একটু বেনামান লাগছে মানুষের। কারণ বিজেপি তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর যাবতীয় অভিযোগের তীর কিন্তু এই তৃণমূলের দিকেই।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!