Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ১৫, ২০২৬

কালীঘাট শিবিরে আরও বড় ধাক্কা ! ঋতব্রত-তৃণমূলে যোগ মদন মিত্রের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কালীঘাট শিবিরে আরও বড় ধাক্কা ! ঋতব্রত-তৃণমূলে যোগ মদন মিত্রের

২১ জুলাইয়ের তৃণমূলের শহিদ দিবসের সমাবেশের ঠিক আগে রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে বড়সড় চমক। দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতা তথা কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র ‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এর সঙ্গে সমস্ত সাংগঠনিক সম্পর্ক ছিন্ন করে যোগ দিলেন ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এ। এই সিদ্ধান্তের ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে আরও একটি বড় ধাক্কা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পর এবার মদন মিত্রও ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর পতাকা তলায় চলে যাওয়ায় রাজনৈতিক তাৎপর্য আরও বেড়েছে। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন শিবিরে যোগ দেওয়ার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে গিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মদন।

তিনি বলেন, “তৃণমূলে ছিলাম, তৃণমূলেই রইলাম। শুধু এ ঘর থেকে ওই ঘরে গেলাম।” নিজের এই সিদ্ধান্তকে কেবল দলবদল হিসেবে দেখতে নারাজ তিনি। তাঁর কথায়, “এ ঝড়ের ইঙ্গিত। বদলের ইঙ্গিত। ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস…”— এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, আনুষ্ঠানিক যোগদানের অনেক আগেই ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিলেন মদন মিত্র। মঙ্গলবার তিনি উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি সন্দীপন সাহার তালতলার বাড়িতে যান। যদিও তখন সন্দীপন সাহা বাড়িতে ছিলেন না। পরে স্বর্ণকমল সাহার ফোন থেকে সন্দীপন সাহার সঙ্গে কথা বলেন মদন মিত্র।

সন্দীপন সাহার দাবি, মদন মিত্র নিজেই ফোন করে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হয়। সেই আলোচনার পরই বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এ যোগ দেন কামারহাটির বিধায়ক।
মদন মিত্র দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাই তাঁর এই সিদ্ধান্ত শুধু সাংগঠনিক দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক বার্তার দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির ঠিক আগে একের পর এক প্রবীণ ও পরিচিত নেতার ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনায় রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মদন মিত্রের এই পদক্ষেপ আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের আগে এই যোগদান নিঃসন্দেহে ‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এর জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা এবং ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর শক্তি বৃদ্ধির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!