Advertisement
  • এই মুহূর্তে বি। দে । শ
  • নভেম্বর ২, ২০২৬

শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল বাংলাদেশ ! মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আগুন, ভাঙচুর, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাজনৈতিক ইন্ধনের অভিযোগ বিএনপির

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল বাংলাদেশ ! মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আগুন, ভাঙচুর, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাজনৈতিক ইন্ধনের অভিযোগ বিএনপির

শেখ হাসিনার সরকারের পতন, মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে জয় পেয়ে বিএনপি-র ক্ষমতার প্রত্যাবর্তন। সাম্প্রতিক সময়ে বহু উত্থান-পতন, মিছিল-বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, প্রাণহানীর সাক্ষী থেকেছে বাংলাদেশ। তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার মনে করা হয়েছিল, এবার হয়তো পড়শি দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরবে, আমজনতার জীবনে ফিরবে স্বাভাবিক ছন্দ। মিটবে তাদের দীর্ঘদিনের মৌলিক দাবি। কিন্তু, কখনো রাজনৈতিক সংঘাত, কখনো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, কখনো আবার অর্থনৈতিক দাবিদাওয়া ঘিরে উত্তেজনা — পদ্মাপারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারছে না কিছুতেই।

এবারের আন্দোলনের কেন্দ্রে পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা। ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে ঢাকা, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া-সহ একাধিক শিল্পাঞ্চলে পথে নেমেছেন তাঁরা। কোথাও মহাসড়ক অবরোধ, কোথাও কারখানায় ভাঙচুর, কোথাও আবার পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরানোর অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অশান্তির জেরে বন্ধ রাখতে হয়েছে দেড়শোরও বেশি পোশাক কারখানা। বিপর্যস্ত যান চলাচলও। পরিস্থিতি সামাল দিতে পথে নামানো হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে। অন্য দিকে, শ্রমিক অসন্তোষের পিছনে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। তবে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির পাশাপাশি নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাতের আবহও তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। তারেক সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে শেখ হাসিনা-বিরোধী তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ফিরেছে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানও।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ তৈরি পোশাকশিল্প। এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের একাংশের অভিযোগ, কাজের চাপ বাড়লেও সে অনুপাতে বাড়েনি বেতন। উল্টে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম, বাড়িভাড়া, যাতায়াতের খরচ এবং চিকিৎসার ব্যয় বেড়েছে কয়েক গুণ। বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। ভারতীয় মুদ্রায় ওই অঙ্ক প্রায় ২৩ হাজার টাকা।  রবিবার সকাল থেকেই ঢাকার মিরপুর, গাজীপুর, সাভার এবং আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে রাখেন শ্রমিকেরা। গাজীপুরের চন্দ্রা ও কালিয়াকৈর এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপরেও জমায়েত করেন তাঁরা। কোথাও লাঠিসোঁটা হাতে রাস্তার দখল নেন বিক্ষোভকারীরা। কোথাও আবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল, জলকামান এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পুলিশ। পাল্টা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়েন আন্দোলনকারীদের একাংশ।

ঢাকার মিরপুরেও পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনের নীচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভের জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। একটি পোশাক কারখানার গুদামেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে বাংলাদেশের সংবাদপত্রে সূত্রে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। রবিবারের পর সোমবারও অশান্তি থামেনি। সকাল থেকেই ঢাকা এবং গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। সফিপুর পল্লী এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল সংযোগকারী সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ এবং বিজিবি যৌথ ভাবে অভিযান চালালে সংঘর্ষ বাধে। ইটের আঘাতে বিজিবির এক সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর।

গাজীপুরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে দুপুরের দিকে। পুলিশের পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। পরে সফিপুর এলাকায় আরও একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে সোমবারও একাধিক এলাকায় অশান্তি হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে প্রায় ১৫০টি পোশাক কারখানা সোমবারের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। উত্তেজনার মধ্যে একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অন্য দিকে, ঢাকার মিরপুরের বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে ছোটো ছোটো দলে রাস্তায় নামার চেষ্টা করেন শ্রমিকেরা। তাঁদের হটাতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ।

পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবারই তৎপর হয়েছে তারেক রহমানের প্রশাসন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী-সহ বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। শ্রমিক অসন্তোষ, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা ও উৎপাদন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরই, শ্রমিকদের দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের একটি মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা করে বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক। শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, শ্রমিকদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সরকার। আলোচনার মাধ্যমে তাঁদের দাবিগুলির সমাধান করার চেষ্টা করা হবে। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের কারখানায় ফিরে যাওয়ার আবেদন জানান তিনি। কিন্তু সরকারের এই আশ্বাসে খুব একটা চিঁড়ে ভেজেনি। শ্রমিকদের একাংশের বক্তব্য, মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত এবং তা কার্যকর করার সময়সীমা জানাতে হবে। ফলে সরকারের আবেদনের পরেও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে অবরোধ ও বিক্ষোভ অব্যাহত। রাস্তা অবরুদ্ধ থাকায় দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ।

বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। আন্দোলনের পিছনে আওয়ামী লীগের যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছে তারেক রহমানের প্রশাসন। রবিবারই পুলিশের তরফে এই অভিযোগ তোলা হয়েছিল। সোমবার সরকারের তরফে সে অভিযোগ আরও স্পষ্ট করা হয়। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের দাবি, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন এক শ্রেণির পোশাকশিল্প মালিকই শ্রমিক অসন্তোষকে উস্কে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও আন্দোলনের পিছনে ‘নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের’ যোগসূত্র থাকার অভিযোগ তুলেছেন। রবিবার রাত থেকেই ঢাকা এবং গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক ব্যক্তিকে। রবিবার রাত পর্যন্ত ৪৯ জনকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশের পুলিশ। তাঁদের মধ্যে অনেকে আওয়ামী লীগ কিংবা দলটির সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি তদন্তকারীদের।

তবে এ অভিযোগের মধ্যেও একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষকে কি শুধুই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে ব্যাখ্যা করা সম্ভব? বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে যে ক্ষোভ জমেছে, সাম্প্রতিক আন্দোলনে তারই প্রতিফলন দেখছেন অনেকে। বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র তৈরি পোশাকশিল্প। সে দেশে প্রায় চার হাজার নথিভুক্ত পোশাক কারখানা রয়েছে। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিক। চিনের পর পোশাক রফতানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে তৈরি পোশাক রফতানি থেকে দেশটির আয় হয়েছে প্রায় ৩৮৭০ কোটি ডলার। বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশে রফতানি হয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক। ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দীর্ঘস্থায়ী হলে তার প্রভাব শুধু কারখানার উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যও ধাক্কা খেতে পারে। এমনিতেই রাজনৈতিক পালাবদলের পর দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার চ্যালেঞ্জ রয়েছে তারেক রহমানের সরকারের সামনে। তার উপর পোশাকশিল্পে এ অস্থিরতা নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে।

শ্রমিক বিক্ষোভের মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ‘এনসিপি’র সমাবেশকে কেন্দ্র করে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র-যুব নেতাদের একাংশ পরে এই রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বিরোধী শিবিরের চিফ হুইপ। এ বারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছিল ‘এনসিপি’।  জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি-সহ একাধিক ইস্যুতে শুক্রবার ঢাকায় সমাবেশ করে দলটি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন নেতারা। তবে বক্তৃতায় উঠে আসে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রসঙ্গও। সমাবেশের মঞ্চ থেকে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানও তুলছেন এনসিপি নেতারা। তারেক রহমানকে আক্রমণ করে নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, ভারতীয় স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে বর্তমান সরকার। জাপান সফরে গিয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতকে ‘অবৈধ করিডর’ দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের জনগণ এমন কোনো উদ্যোগ মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ভারতে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়েও সমাবেশে সরব হন ‘এনসিপি’ নেতারা।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পাশাপাশি গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তি নিয়েও তারেক রহমানের সরকারের উপর চাপ বাড়িয়েছে ‘এনসিপি’। ১৯৯৬ সালে দু–দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই চুক্তি নবীকরণে আগ্রহী ঢাকা। কিন্তু এনসিপির দাবি, নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের ন্যায্য জলপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। নাহিদের হুঁশিয়ারি, ন্যায্যতার ভিত্তিতে চুক্তি পুনর্নবীকরণ না হলে ফের আন্দোলনে নামবে তাঁদের দল। বাংলাদেশের প্রাপ্য জলের প্রশ্নে কোনোরকম আপস করা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। ফলে শ্রমিক অসন্তোষের পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কও নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে।এর আগেও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারেক রহমানের উপর চাপ তৈরি করেছে দলটি। অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়েও। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন মুজিবকন্যা। আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সে প্রসঙ্গ টেনেই নাহিদ দাবি করেছেন, হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে বর্তমান সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে না। 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!