- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ৩১, ২০২৬
বইয়ের স্টলে হামলার প্রতিবাদ, বই বুকেই কল্লোলিত কলেজ স্ট্রিট
বইয়ের স্টলে বুলডোজ়ার, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা বই, ছেঁড়া পাতা, পায়ের তলায় দলিত অক্ষর। দুর্গাপুজোর আবহে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বামপন্থীদের বই বিপণিতে হামলা ও ভাঙচুরের যে অভিযোগ উঠেছিল, তার প্রতিবাদে এ বার পথে নামল কলকাতার নাগরিক সমাজ। প্রতিবাদের হাতিয়ার কোনো দলীয় পতাকা কিংবা পরিচিত রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বই। শনিবার, ৩১ অক্টোবর, কলেজ স্ট্রিটে হাতে হাতে বই নিয়ে পথে হাঁটলেন লেখক, শিল্পী, অধ্যাপক, নাট্যকর্মী, ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ পাঠকেরা। তাঁদের বক্তব্য, বইয়ের দোকানে আঘাত মানে কেবল একটি বিপণি বা কয়েকটি বইয়ের ক্ষতি নয়, তা আসলে মানুষের চিন্তা, যুক্তিবোধ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির উপরেই আক্রমণ।
কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হওয়া এই ব্যতিক্রমী পদযাত্রার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘বইয়ের জন্য হাঁটুন’। বইপাড়ার ঐতিহ্যবাহী রাস্তায় এ দিন অনন্য দৃশ্যের অবতারণা হয়। কারও হাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্তকরবী, কারও হাতে ইতিহাসবিদ ইরফান হাবিবের ভারতবর্ষের ইতিহাস প্রসঙ্গ। কেউ সঙ্গে নিয়েছিলেন কবিতার বই, কেউ উপন্যাস, কেউ বা ইতিহাস, দর্শন কিংবা সমাজবিজ্ঞানের গ্রন্থ। প্রত্যেকের হাতে থাকা বইটি যেন হয়ে উঠেছিল নিজের অস্তিত্ব আর প্রতিবাদের পরিচয়। বইয়ের প্রচ্ছদ, মনীষীদের ছবি, নানা বার্তা লেখা প্ল্যাকার্ড এবং প্রতিবাদী শিল্পকর্ম নিয়ে কলেজ স্ট্রিটের পথে পা মেলান বিভিন্ন বয়সের মানুষ।এ মিছিলের তাৎপর্য শুধু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংঘাতের প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ নয়। বই পড়ার অধিকার, বই বিক্রির স্বাধীনতা, মতাদর্শ নির্বিশেষে জ্ঞানচর্চার পরিসর রক্ষার প্রশ্নটিকেই সামনে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের বক্তব্য, কোনো বইয়ের বক্তব্যের সঙ্গে মতের অমিল থাকলে তার জবাব দিতে হবে আলোচনা, যুক্তি ও পাল্টা লেখার মাধ্যমে। বই ছিঁড়ে, দোকান ভেঙে কিংবা বিক্রেতাকে ভয় দেখিয়ে কোনো আদর্শ বা দর্শনকে পরাস্ত করা যায় না।
শহরের এই প্রতিবাদের পিছনে রয়েছে কয়েক সপ্তাহ ধরে জমে ওঠা ক্ষোভ। দুর্গাপুজোর সময় কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বামপন্থী দলগুলির অস্থায়ী বইয়ের বিপণিতে হামলা, ভাঙচুর এবং বই ছুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। যাদবপুর, রাসবিহারী, লেক মার্কেট, বেহালা, হরিদেবপুর, নাগেরবাজার, ধাকুরিয়া, বড়াল, হাওড়া, শিলিগুড়ি-সহ বিভিন্ন এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে বাম দলগুলির অভিযোগ। কোথাও দোকানের কাঠামো ভাঙচুর করা হয়েছে, কোথাও বই রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হয়েছে, আবার কোথাও অগ্নিসংযোগের অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির পিছনে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম-সহ বাম দলগুলি। যদিও প্রতিটি ঘটনায় অভিযুক্তদের পরিচয় ও দায় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য দলের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ডের কাছে বইয়ের বিপণি ভাঙতে বুলডোজ়ার ও জেসিবি নিয়ে হাজির হওয়ার ঘটনাটি বিশেষ ভাবে আলোড়ন ফেলেছিল। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে বিপণিটি সরানোর চেষ্টা হয়। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা, বইপ্রেমী এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশের প্রতিরোধের মুখে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। ওই বিপণিটি এলাকায় প্রায় ৪৯ বছর ধরে পুজোর সময় বসছে। ফলে স্থানীয়দের একাংশের কাছে সেটি কেবল রাজনৈতিক দলের বই বিক্রির জায়গা নয়, পুজোর সাংস্কৃতিক পরিসরেরও পরিচিত অংশ। নাগেরবাজারের ঘটনাও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। একটি ভিডিয়োয় দেখা যায়, এক দল যুবক বইয়ের বিপণিতে ঢুকে বইপত্র ছুড়ে ফেলছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ৭৩ বছরের বিপুল দাশগুপ্ত, এলাকায় যিনি ‘বুজু দা’ নামে পরিচিত। বই নষ্ট না করার জন্য বার বার অনুরোধ করছিলেন তিনি। আক্রমণকারীদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন ছিল, বইগুলি ফেলে দেওয়ার আগে অন্তত এক বার পাতা উল্টে দেখুন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ বইটি নিয়েও আপত্তি তুলতে দেখা যায় এক যুবককে। ঘটনাটির ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পরে বইয়ের প্রতি এই অসম্মান এবং এক প্রবীণ মানুষের অসহায় অনুরোধ বহু মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
বইয়ের বিপণি ঘিরে এ সংঘাতের রাজনৈতিক সূত্র অবশ্য আরও আগে। গত ১০ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুজো কমিটিগুলিকে বলেছিলেন, বামপন্থীরা ‘দুর্গাপুজো’র পরিবর্তে ‘শারদোৎসব’ লিখে বইয়ের স্টল বসালে তাদের জায়গা দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বক্তব্য ছিল, ধর্মীয় পরম্পরার বিরোধিতা করে আবার দুর্গাপুজোর মণ্ডপের সামনে বইয়ের দোকান বসানো যায় না। পরবর্তী সময়ে বইয়ের বিপণিতে হামলার অভিযোগ সামনে আসায় সে মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে আসে। পুজোর মণ্ডপের সামনে রাজনৈতিক মতাদর্শের বই বিক্রির অধিকার, ধর্মীয় উৎসবের পরিসরে ভিন্নমতের উপস্থিতি এবং প্রকাশ্য স্থানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতা — এই তিনটি প্রশ্নকে ঘিরে সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়। তবে এই ঘটনায় বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবারের অন্দরেও মতপার্থক্য প্রকাশ্যে এসেছে।
এ আবহেই নাগরিক সমাজের উদ্যোগে বই হাতে পদযাত্রার পরিকল্পনা করা হয়। প্রথমে ২৯ অক্টোবর এই কর্মসূচি হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। আয়োজকেরা জানান, ৩১ অক্টোবর কলেজ স্কোয়ারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তির সামনে থেকে শুরু হবে পদযাত্রা। তাঁদের আহ্বান ছিল, বইকে ভালবাসেন এমন প্রত্যেক মানুষ নিজের পছন্দের একটি বই হাতে নিয়ে আসুন। বই-ই হয়ে উঠুক বইয়ের জন্য প্রতিবাদের নিশান। এ কর্মসূচির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসাবে একে চিহ্নিত করতে চাননি উদ্যোক্তারা। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, প্রাক্তন আমলা ও সাংসদ জহর সরকার, অভিনেতা পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, নাট্যব্যক্তিত্ব চন্দন সেন, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, বিভাস চক্রবর্তী, লেখক স্বপ্নময় চক্রবর্তী-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা এই উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছিলেন। অধ্যাপক, সাহিত্যিক, নাট্যকার, শিল্পী, গবেষক এবং সাংস্কৃতিক কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ পাঠকদেরও যোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সিপিআইএমের বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তী ও বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মতো রাজনৈতিক নেতৃত্বও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
আয়োজকদের প্রাথমিক বিবৃতিতেও উঠে এসেছিল বইয়ের উপর আক্রমণের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক তাৎপর্য। তাঁদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের জনজীবনকে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, বইয়ের বিপণি রক্ষায় সাধারণ মানুষের প্রতিরোধও দেখা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন বয়সের মানুষ বিপণি ভাঙার চেষ্টার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। সেই প্রতিরোধের ধারাবাহিকতাতেই এ দিনের পদযাত্রা। মিছিলের ধরনেও ছিল সচেতন ব্যতিক্রম। দলীয় পতাকা, রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যানার কিংবা প্রচলিত অর্থে ‘জবাব চাই’ ধরনের স্লোগান ছিল না। পরিবর্তে মনীষীদের ছবি, বইয়ের প্রচ্ছদ এবং বিভিন্ন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাঁটেন অংশগ্রহণকারীরা। পদযাত্রার মধ্যে গান, কবিতা পাঠ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। অর্থাৎ, যে আক্রমণের প্রতিবাদে এই জমায়েত, তার জবাব দিতে উদ্যোক্তারা বেছে নিয়েছিলেন বই, গান, কবিতা ও শিল্পের ভাষা। তাঁদের কাছে প্রতিবাদের এই ধরনই ছিল সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ।
মিছিলে যোগ দিয়ে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, সংস্কৃতি ও বইপ্রেমী মানুষ একত্রিত হয়ে অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর কথায়, এখানে কোনো বাঁধাধরা স্লোগান বা চিৎকার নেই। গান, কবিতা ও শিল্পের মাধ্যমেই অন্যায়ের জবাব দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের উপস্থিতিও এই কর্মসূচিকে রাজনৈতিক সংহতির একটি মাত্রা দেয়। তবে উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণের মূল পরিচয় রাজনৈতিক নয়, নাগরিক। তবে, শুধু এই মিছিলেই নাগরিক সমাজের বার্তা সীমাবদ্ধ থাকেনি। বই বিপণিতে হামলার ঘটনার পরেও বই বিক্রির ক্ষেত্রে ভাটা পড়েনি, বরং কয়েকটি জায়গায় বিক্রি উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে।
বইয়ের বিপণির সঙ্গে বাংলার দুর্গাপুজোর সম্পর্ক সাম্প্রতিক নয়। পুজোর মণ্ডপের পাশে অস্থায়ী বইয়ের দোকান বসানোর ঐতিহ্য কয়েক দশকের। পঞ্চাশের দশক থেকেই বামপন্থীরা পুজোর পথে পথে বইয়ের বিপণি বসাতে শুরু করেন। মার্কসবাদী তত্ত্ব, সমাজতন্ত্র, শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাস, বিপ্লবীদের জীবনী থেকে শুরু করে বাংলা সাহিত্য, উপন্যাস, কবিতা — বিভিন্ন ধরনের বই সেখানে পাওয়া যায়। ১৯৫০-এর দশকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ ক্রমে বাংলার পুজো-সংস্কৃতির একটি পরিচিত অংশ হয়ে ওঠে। পুজোর ভিড়ের মধ্যে বই কেনা, নতুন লেখকের সঙ্গে পরিচিত হওয়া কিংবা রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা — সব মিলিয়ে এই বিপণিগুলি এক ধরনের মুক্ত সাংস্কৃতিক পরিসর।
সেই ঐতিহ্যকেই নতুন করে সামনে আনতে চাইছে বামেরা। বইয়ের বিপণিতে হামলার প্রতিবাদ শুধু একটি দিনের মিছিলেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে না তারা। দলের তরফে পাড়ায় পাড়ায় ভ্রাম্যমাণ ‘বইয়ের হাট’ এবং বইয়ের বিপণি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রবিবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। উদ্দেশ্য, বইকে ফের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাছে নিয়ে যাওয়া এবং পাড়ায় পাড়ায় পাঠক ও বইয়ের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করা। বইয়ের দোকানে হামলার প্রতিবাদে কলেজ স্ট্রিটের এই পদযাত্রা তাই নিছক একটি রাজনৈতিক ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়। এর মধ্যে রয়েছে আরও বড়ো প্রশ্ন—ভিন্ন মতের বই কি প্রকাশ্যে বিক্রি করা যাবে না? কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতাদর্শের সঙ্গে দ্বিমত থাকলে তার জবাব কি বইয়ের মাধ্যমেই দেওয়া হবে, না কি বইয়ের দোকান ভেঙে দেওয়াই হয়ে উঠবে প্রতিবাদের নতুন ভাষা? যে রাজ্যে বিদ্যাসাগর থেকে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল থেকে জীবনানন্দ, মুদ্রণশিল্প থেকে লিটল ম্যাগাজ়িন — বই ও পাঠাভ্যাসের সঙ্গে সামাজিক পরিচিতি গভীর ভাবে জড়িয়ে, সেখানে এই প্রশ্নের গুরুত্ব আরও বেশি।
কলেজ স্ট্রিটের রাজপথে এ দিন হাতে হাতে ঘুরেছে নানা বিষয়ের বই। কেউ নিয়ে এসেছেন সাহিত্য, কেউ ইতিহাস, কেউ দর্শন, কেউ বা রাজনৈতিক তত্ত্ব। বইগুলির বক্তব্য এক নয়, লেখকদের মতও এক নয়। কিন্তু সেই ভিন্নতাই যেন এই মিছিলের মূল বার্তা। মতের অমিল থাকবে, বিতর্ক হবে, পাল্টা যুক্তি আসবে — কিন্তু বই ছিঁড়ে সেই বিতর্কের অবসান ঘটানো যায় না। যে সমাজে প্রশ্ন করার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, সেখানে বইয়ের দোকান ভাঙার বদলে বইয়ের পাতা উল্টে দেখারই কথা। শনিবার কলেজ স্ট্রিটের প্রতিবাদ সে কথাটিই আবার মনে করিয়ে দিল।
❤ Support Us







